Posts

Showing posts from April, 2021

কোনো ব্যক্তি যদি ভূলবসত সিয়াম অবস্থায় খাওয়া দাওয়া করে নেয়, তার বিধান কি ?

Image
কোন ব্যক্তি যদি  সিয়াম অবস্থায় ভুলবশত খাওয়া-দাওয়া বা পানি পান করে নেয়, তবুও তার সিয়াম নষ্ট হবে না , তাকে সূর্য অস্ত্র পর্যন্ত সিয়াম পূরণ করতে হবে। সিয়াম অবস্থায় ভুলবশত খাওয়া-দাওয়া বা পান করার অর্থ হলো তাকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন খাইয়াছে এবং পান করিয়েছে । এই মর্মে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:  إذا نسي فاكل و شرب فليتم صومه فانما اطعمه الله وسقاه অর্থাৎ: কোন ব্যক্তি যদি ভুলবশত কোন জিনিস খেয়ে নেয় বা পান করে নেয়, তাহলে সে যেন তার সিয়ামটি সম্পূর্ণ করে।  কারণ আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে খাইয়েছে এবং পান করিয়েছে ।  ( সহি আল বুখারী, কিতাবুস সাওম হাদিস নং ১৯৩৩) উক্ত হাদিস থেকে প্রমাণিত যে , সিয়াম অবস্থায় ভুলবশত খাওয়া-দাওয়া বা পান করা সিয়াম নষ্টর কারণ নয়।

কদরের রাত কোন টি ?

Image
মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কদরের রাত কে গোপনে রেখেছেন , যেন বান্দা এই মহিমান্বিত ও  বরকতময় রাতের অনুসন্ধানে অধিক শ্রম ব্যয় করে, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে। এই মর্মে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: تَحَرَّوْا لَيْلَةَ الْقَدْرِ فِي الْوِتْرِ مِنَ الْعَشْرِ الأَوَاخِرِ مِنْ رَمَضَانَ অর্থাৎ:  রমজান মাসে শেষ দশ বেজোড় (২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ ) রাতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করো ( সহি আল বুখারি, কিতাব ফজল লাইলাতুল কদর,  হাদিস নং ২০১৭ )

শবে কদরের লক্ষণ ও আলামত কি ?

Image
পবিত্র আল কোরআন এবং হাদিসের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী শবে কদরের কিছু লক্ষণ ও আলামত রয়েছে, যারা এই রাত কে পেতে চান তাদের করণীয় ঐ লক্ষণ এবং আলামত গুলো সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা। ১) এই রাতটি হয় শান্তিময় রাত। বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন :  سلام هي حتى مطلع الفجر অর্থাৎ : এটি শান্তিময় রাত ফজরের সূচনা পর্যন্ত ।  ২) এই রাত হবে সাদা ও উজ্জ্বল।  ৩) এই রাত হবে নাতিশীতোষ্ণ ( না-গরম না-ঠান্ডা )।  হযরত জাবের রাযি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:  اني كنت أريد ليلة القدر ثم نسيتها وهي في العشر الاواخر وهي طلقة بلجة لا حارة ولا باردة كان فيها قمرا يفضح كواكبها  অর্থাৎ: আমাকে লাইলাতুলকাদার দেখানো হয়েছিল, অতঃপর তা ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। তা হচ্ছে শেষ দশকে। সে রাত হবে সাদা - উজ্জ্বল , নাতিশীতোষ্ণ না-গরম না-ঠান্ডা,  যেন আলোকিত চাঁদ নক্ষত্রগুলোকে আড়াল করে আছে  । ( সহীহ ইবনে খুযাইমা, হাদিস নং ২১৯০, সহীহ ইবনে হিব্বান হাদিস নং ৩৬৮৮ ) ৪) ঐদিন সূর্য উদয় হয় রশ্মিবিহীন সাদা আকারে। এই মর্মে বিশ্বনবী সাল্লাল্লা...

কদরের রাতে কি দূআ পাঠ করতে হয় ?

Image
  কদরের রাতে কি দূআ পাঠ করতে হয় ? এই মর্মে আম্মা আয়েশা রাযি আল্লাহু তা'আলা আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন : আমি বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম,   হে আল্লাহর রাসূল সালালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম : আমি যদি মহামান্বিত ( কদর )রাত পায় , তবে কি দূআ পাঠ করবো ? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন : তুমি বল:  اللهم انك عفو كريم ،  تحب العفو ،  فاعف عني অর্থাৎ: হে আল্লাহ,  আপনি অতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু,  ক্ষমাকরা পছন্দ করেন,  আমাকে ক্ষমা করো ।  ( সূনান আত্ তিরমিযী, দূআ অধ্যায়, হাদিস নং ৩৮৫৫ )

লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও ফজিলত কি ?

Image
  কদর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাময় রাত।  এই রাত্রিতে মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র আল-কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। এই রাত্রিতে আল্লাহর যিকির আযকার ,কুরআনের তেলাওয়াত ও এবাদতে লিপ্ত থাকা,  হাজার মাসের ইবাদত থেকে উত্তম। এই রাত্রে হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম ফেরেশতা বর্গ কে সঙ্গে নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন। এই রাতে এক বছরের সকল প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এটি হলো শান্তিময় এবং বরকতময় রাত। এই রাত্রের মর্যাদা ও ফজিলত সম্পর্কে স্বয়ং মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:  انا انزلناه في ليلة القدر ،  وما ادراك ما ليلة القدر ،  ليلة القدر خير من الف شهر  ، تنزل الملائكة والروح ، فيها باذن ربهم من كل أمر ،  سلام هي حتى مطلع الفجر অর্থাৎ: নিশ্চয় আমি এটি ( গ্রন্থ আল কুরআন )  অবতরণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে, তুমি কি জানো মহিমান্বিত রজনীটি কি? মহিমান্বিত রজনী হাজার মাসের চাইতে শ্রেষ্ঠ, ফেরেশতাগণ এবং হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম , তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, প্রতিটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত  নিয়ে অবতরণ করেন। এটি শান...

শবে কদর এর অর্থ কি ?

Image
  শবে কদর’ কথাটি ফারসি। শব মানে রাত বা রজনী আর কদর মানে সম্মান, মর্যাদা, গুণাগুণ, সম্ভাবনা, ভাগ্য ইত্যাদি। শবে কদর অর্থ হলো মর্যাদার রাত বা ভাগ্যরজনী। শবে কদরের আরবি হলো লাইলাতুল কদর তথা সম্মানিত রাত। এই রাতে পবিত্র আল - কোরআন অবতরণ হয়েছে । আল্লাহ তাআলা বলেন: انا انزلناه في ليلة القدر নিশ্চয়ই আমি পবিত্র আল- কোরআন অবতীর্ণ করেছি মর্যাদাপূর্ণ কদর রজনীতে।                                 (সূরা আল - কদর আয়াত নং ১ )

মহামারী থেকে মুক্তির পথ ও উপায়।।

Image
 হাফিজ ইবনে কাসির রহ:  বর্ণনা করেন :   সিরিয়া, ইরাক ও হিজাজে যখন মহামারী ছড়িয়ে পড়ে।লোকজন প্রচণ্ড জ্বরেআক্রান্ত হয় এবং অসংখ্য গবাদি পশু ও বন্য প্রাণী মারা যায়, ফলে দুধ এবং মাংসের তীব্র সংকট  দেখা দেয়ে ছিল । মহামারীর সাথে প্রবল বাতাস এবং ঝড় আসে,বহু ক্ষয়- ক্ষতি এবং অসংখ্য গাছ পালা নষ্ট হয়। এমনকি মানুষ ভাবতে বাধ্য হয়ে ছিল,যেন কেয়ামত এসে গেছে।  এই মহামারীর মোকাবিলার জন্য তৎকালীন আব্বাসী খলিফা আল-মুকতাদা বে আমরিল্লাহ নিম্নলিখিত ফরমান ( হুকুম ) জারি করেছিলেন:  সমস্ত পুরুষ একে অপরকে সদাচরণের আদেশ দিন এবং পাপ বন্ধ করুন,সমস্ত বাদ্যযন্ত্রগুলি ভেঙে দেওয়া হোক, মদের বোতলগুলি ফেলে দেওয়া হয়, রাজ্যের সমস্ত দুষ্টকে নির্বাসিত করা হয়েছিল। ফলে শীঘ্রই এই রোগ ও মহামারী দেশ ও এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ( আল- বেদায়াহ অ আন্ নেহায়াহ ১৩ /২১৬ )

পবিত্র রমযান মাসে সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে গর্ভবতী ও দুধ পান কারীনি মহিলার করণীয় কি ?

Image
পবিত্র রমযান মাসে সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে গর্ভবতী ও দুধপান করীনি মহিলার হুকুম হলো সাধারণ অসুস্থ ব্যক্তির মত। তাদের ক্ষেত্রে যদি সিয়াম পালন করা কষ্টকর হয়,  তবে তারা সিয়াম পালন না করে, পরে কাযা আদায় করবে। এটি হলো রাযেহ ( সঠিক )  মত । আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:  فمن شهد منكم الشهر فليصمه، ومن كان مريضا أو على سفر   فعدة من أيام أخر يريد الله بكم اليسر ولا يريد بكم العسر অর্থাৎ যে ব্যক্তি পবিত্র রমযান মাস পেল,  সে যেনো অবশ্যই সিয়াম পালন করে ,আর যারা অসুস্থ বা ভ্রমণকারী ব্যক্তি,  তারা অন্য দিনে ( সিয়ামের ) গণনা পূরণ করবে। আল্লাহ তোমাদের ক্ষেত্রে সহজ ও সুবিধা চান । তোমাদের জন্য কষ্টকর অবস্থা চান না।  ( সূরা আল- বাকারা আয়াত নং ১৮৫ ) বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:   ا  ان الله عن المسافر نصف الصلاة والصوم وعن الحبلىى والمرضع অর্থাৎ নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা ভ্রমণকারীকে  অর্ধ নামাজের অনুমতি দিয়েছেন এবং সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছে । গর্ভবতী ও দুধ- পালনকারীনি মহিলাদের ক্ষেত্রেও আল্লাহ রাব্বুল আলামীন সি...

পবিত্র রমযান মাসে সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে একজন অসুস্থ মানুষের করণীয় কি ?

Image
সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে অসুস্থ কে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।  ১) সাধারণ অসুস্থতা।   অসুস্থতার কারণে যদি সিয়াম পালনে কষ্ট হয়। তবে রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি (নর - নারী ) কে  ইসলাম সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে ছাড়  দিয়ছে।  অসুস্থতার দিন গুলো সিয়াম পালন না করে, পরে তা কাযা করবে। এই মর্মে বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্বয়ং বলেন: فمن شهد منكم الشهر فليصمه، ومن كان مريضا أو على سفر فعدة من أيام أخر অর্থাৎ যে ব্যক্তি পবিত্র রমযান মাস পেল,  সে যেনো অবশ্যই সিয়াম পালন করে ,আর যারা অসুস্থ বা ভ্রমণকারী ব্যক্তি,  তারা অন্য দিনে ( সিয়ামের ) গণনা পূরণ করবে। ২) অসুস্থতা যা থেকে সুস্থতার আর কোনো আশা নেই।এই মর্মে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্বয়ং বলেন:  وعلى الذين يطيقونه فدية طعام مسكين অর্থাৎ যাদের জন্য রোজা রাখা দুঃসাধ্য তারা প্রত্যেক দিন সিয়ামের পরিবর্তে এক জন মিসকীন কে অন্ন প্রদান করবে। ( সূরা আল - বাকারাহ আয়াত নং ১৮৪)

বৃদ্ধ ও বয়স্ক ব্যক্তি বা এমন অসুস্থ ব্যক্তি যার সুস্থতার আর কোনো আশা নেই , পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম পালনে তাদের বিধান কি ?

Image
বৃদ্ধ ও বয়স্ক ব্যক্তি ( নর- নারী ) যে সিয়াম পালনে অক্ষম হয়ে পড়েছে বা এমন অসুস্থ ব্যক্তি ( নর - নারী ) যার সুস্থতার আর কোন আশা নেই , পবিত্র রমজান মাসে সিয়াম পালনে তাদের বিধান হলো:  প্রত্যেক দিন সিয়ামের পরিবর্তে একজন দরিদ্র কে অন্য প্রদান করবে। এই মর্মে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন স্বয়ং বলেন:  وعلى الذين يطيقونه فدية طعام مسكين অর্থাৎ যাদের জন্য রোজা রাখা দুঃসাধ্য তারা প্রত্যেক দিন সিয়ামের পরিবর্তে এক জন মিসকীন কে অন্য প্রদান করবে। ( সূরা আল - বাকারাহ আয়াত নং ১৮৪) উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযিআল্লাহু আনহু বলেন:  وهو الشيخ الكبير و المرأة الكبيرة لا يستطيعان ان يصوما فليطعمان  مكان كل يوم مسكينا অর্থাৎ : উক্ত আয়াতে সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে যাদেরকে ছাড় দেওয়া হয়েছে , তারা হলো:  বৃদ্ধ নর-নারী , যারা সিয়াম পালনে অক্ষম । তারা প্রতিদিন একজন দরিদ্রকে অন্য প্রদান করবে। ( সহি বুখারী ,কিতাবুত তাফসীর হাদিস নং ৪৫০৫)

নেফাস চলাকালীন অবস্থায় মহিলাদের করণীয় কি ?

Image
  সন্তান প্রসবের সময়কাল থেকে তার পরবর্তীতে  নারীদের যৌনি থেকে যে রক্তস্রাব হয় , শরিয়তের ভাষায় তাকে নেফাস বলে।  নেফাসের সর্বোচ্চ সময় ৪০ দিন। সর্বনিম্ন সময়ের  কোনো নির্ধারিত  সীমা নেই।    নেফাস চলাকালীন দিনগুলোতে মহিলারা যে কাজ গুলো থেকে বিরত থাকবে তা নিম্নরূপ:  ১)সালাত থেকে বিরত থাকবে ( নেফাস চলাকালীন দিনগুলিতে ছূটে যাওয়া সালাতগুলো,  পরে কাযা করা লাগে না ) ২)সিয়াম পালন করবে না।( তবে নিফাস চলাকালীন দিনগুলিতে ছুটে যাওয়া সিয়ামগুলি নেফাস থেকে পবিত্র হওয়ার পর কাযা আদায় করা অনিবার্য।)  ৩) স্বামী মিলন থেকে দূরে থাকবে। ৪) মসজিদে প্রবেশ করবে না।  ৫) কুরআন স্পর্শ করবে না।  ৬) পবিত্র কাবা ঘড়ের তাওয়াফ করা থেকে বিরত থাকা। 

রমযান মাসে ঋতুবতী মহিলার করণীয় কি ?

Image
 রমযান মাসে ঋতুবতী মহিলার করণীয় কি ? লজ্জা নয়, দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করা মুসলিম সমাজের প্রত্যেক সদস্য ( নর-নারী ) উপর ফরজ। জীবনের প্রত্যেক মুহূর্তে ইসলামের বিধি বিধান বাস্তবায়ন করা অবশ্যই কর্তব্য। একজন মেয়ে মানুষ যখন সাবালক হয় , প্রাকৃতিক সিস্টেম অনুযায়ী প্রত্যেক মাসে কয়েকদিনের জন্য সে ঋতুবতী হয়। এই ঋতু চলাকালীন অবস্থায় ইসলাম ধর্মে মহিলাদের জন্য বিশেষ বিধিবিধান রয়েছে, ঐ বিধিবিধান গুলি জেনে এবং মেনে জীবন জাপন করা প্রত্যেক সাবালক মহিলার জন্য কর্তব্য। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:  ا ليس اذا حاضت لم تصل ولم تصم এমনকি নয় ? মহিলারা যখন ঋতু অবস্থায় হয়,  তখন তারা সালাত এবং সিয়াম থেকে বিরত থাকে ?  ( সহি বুখারী, কিতাবুল হাই হাদিস নং ৩০৪ ) ঋতুবতী মহিলা ঋতু চলাকালীন অবস্থায় সিয়াম সম্পর্কে তার বিধান হলো ,সিয়াম পালন থেকে বিরত থাকা। পরে এই সিয়াম গুলো কাযা আদায় করতে হবে ।   عَنْ مُعَاذَةَ قَالَتْ سَأَلْتُ عَائِشَةَ فَقُلْتُ مَا بَالُ الْحَائِضِ تَقْضِي الصَّوْمَ وَلاَ تَقْضِي الصَّلاَةَ فَقَالَتْ أَحَرُورِيَّةٌ أَنْتِ قُلْتُ لَسْتُ بِحَرُ...

جدید سائنس وٹیکنالوجی کا اصل محرک و رہبر کون ؟

Image
  فطری امکانات کے باوجود قدیم زمانہ میں لوگوں کو چاند تک رسائی نہ ہوسکی،  اس کا اصل سبب شرک تھا یعنی ان کا مخلوق کو خالق سمجھ کر ان کی پرستش کرنا ، یہ مسلمہ حقیقت ہے کہ قدیم زمانہ میں لوگ شرک میں ڈوبے ہوئے تھے،  انسان دوسری چیزوں کی طرح چاند کو بھی اپنا معبود سمجھتا تھا،  ان کا چاند کو مقدس سمجھ لینا رکاوٹ بن گیا کہ آدمی چاند کو مسخر کرنے کی بات سوچ سکے۔  ساتویں صدی عیسوی میں پہلی بار ایسا ہوا کہ اسلام کے ذریعے وہ انقلاب آیا،  جس نے شرک کو مغلوب کر کے توحید کو غالب فکر بنا دیا، یہ انقلاب اولا عرب میں آیا ، اور پھر اس کے بعد ایشیا اور افریقہ میں سفر کرتا ہوا یورپ پہنچا ، اور وہ اٹلانٹک کو پار کر کے امریکہ میں داخل ہوگیا۔  مسلم دنیا میں انقلاب مذہب کے تحت آیا تھا ، مغربی دنیا نے اپنے حالات کے زیر اثر ،  اس میں  فرق یہ کیا کہ اس کو مذہب سے الگ کر کے ایک سیکولر علم  کے طور پر ترقی دینا شروع کیا،  اور پھر اس کو موجودہ انتہا تک پہنچایا۔  توحید کے انقلاب نے فطرت کو تقدس کے مقام سے ہٹا کر ان کی تحقیق اور تسخیر کا دروازہ کھول دیا، ...

সিয়াম পালনের উপকারিতা কি ?

Image
পবিত্র গ্রন্থ আল-কোরআন এবং সহি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত,  যে সিয়াম পালন করলে সিয়াম পালনকারী ব্যাক্তিদের দ্বীন এবং ঈমানে একাধিকলাভ হয় । যেমন:  ১) মানুষের হৃদয়ে তাকওয়া ও আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়।  ২) সিয়াম দ্বারা শয়তান ও কু-প্রবৃত্তির ক্ষমতা দুর্বল করা যায় ।  ৩) সিয়াম মানব কে তার সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আত্ম সমর্পণ ও তাঁর দাসত্ব প্রতিষ্ঠার প্রশিক্ষণ দেয় । ৪) সিয়াম মানবের ঈমানকে দৃঢ় করে ।  ৫) ধৈর্য-সবর ও দৃঢ় সংকল্পের প্রশিক্ষণ দেয়।  ৬) সিয়াম মানবকে পরকাল ( আখেরাত ) মুখী করে তোলে। ৭) আল্লাহর অনুগ্রহের প্রতি শুকরিয়াগাপন ও সৃষ্টি জীবের সেবা করার দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়।  ৮) সিয়াম সমাজ সংস্কারের একটি অন্যতম বিদ্যাপীঠ ।  ৯) সিয়াম মানবের শারীরিক শক্তি বৃদ্ধি ও সুস্থতা অর্জনের একটি অন্যতম ও বড় মাধ্যম ।  ১০) সিয়াম মানবজীবনে সততা ও সচ্ছলতা সৃষ্টি করে এবং তাকে একজন চরিত্রবান মানুষ হিসেবে  গড়ে তোলে। 

সিয়ামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি ?

Image
  সিয়াম এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:  يا ايها الذين امنوا كتب عليكم الصيام كما كتب على الذين من قبلكم لعلكم تتقون  অর্থাৎ :  হে বিশ্বাসীগণ ,  তোমাদের প্রতি সিয়াম ফরজ করা হলো, যেমন তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর ফরজ করা হয়েছিল, যাতে তোমরা তাকওয়া ( আল্লাহর ভয় ) অর্জন করতে পারো।  উক্ত আয়াত প্রমাণ করে যে সিয়াম পালনের একটি অন্যতম লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো তাকওয়া ( আল্লাহর ভয় অন্তরে সৃষ্টি করা ) অর্জন করা।   তাকওয়া শব্দের আভিধানিক অর্থ হল :  বাঁচা, আত্মরক্ষা করা, নিষ্কৃতি লাভ করা, বিরত থাকা। আর শরীয়তের পরিভাষায় :  তাকওয়া বলা হয় অন্তরে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি করা। যখনই ব্যক্তির হৃদয়ে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়ে যায়, ব্যাক্তি তখন সৎ , সচ্ছল ও আদর্শবান এবং আল্লাহ ওয়ালা হয়ে উঠে।আর  তার অন্তর থেকে সব প্রকার লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ, চাটুকারিতা, মওজুদদারিতা, ধন-সম্পদের স্পৃহা, যশ বা খ্যাতিমান হবার স্পৃহা, মিথ্যা, অন্যায়-অত্যাচার, অবিচার, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি, সমাজ ও রাষ্ট্রদ্রোহী কার্যকলাপসহ সকল মানবীয় দুর্...

সিয়াম পালনে নেকি কত ?

Image
সিয়াম পালনে কত নেকি?  এই মর্মে আমাদের জন্য একটি হাদিস যথেষ্ট। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:  كل عمل ابن ادم يضاعف الحسنه بعشر امثالها الى سبعمائة ضعف ، قال الله عز وجل الا الصوم ،  فانه لي ،  وانا اجزي به ، يدع شهوته وطعامه من اجلي অর্থাৎ আদম সন্তানের প্রত্যেকটি সৎ  কাজের নেকী দশ গুণ থেকে সাত শত গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। বিশ্ব স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: কিন্তু সিয়াম, এটি আমারই জন্য, আমি নিজেই তার প্রতিফল দান করব। বান্দা আমারই জন্য নিজের প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে, এবং পানাহার পরিত্যাগ করেছে। (সহীহ মুসলিম , কিতাবুস্ সিয়াম হাদিস নং ২৭৬৩) একই কথা সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :  قال الله تعالى : يترك طعامه وشرابه وشهوته من اجلي، الصيام لي ، وأنا اجزي به অর্থাৎ : আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন: বান্দা একমাত্র আমার জন্য,  তার পানাহার ও কামাচার বর্জন করেছে । সিয়াম আমার জন্যই,  আমি নিজেই তার পুরস্কার দিব।  ( সহি বুখারী , কিতাবুস সওম হাদিস নং ১৮৯৪ )  উক্ত হাদিস প্রমাণ...

সিয়ামের ফজিলত কি ?

Image
  কোন ব্যক্তি যদি সঠিক পদ্ধতি অনুযায়ী সিয়াম পালন করে,  তবে তার অতীতের গুনাহ ও পাপ মোচন হয়ে যায় । বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:   " من صام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه "  অর্থাৎ : যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত পূণ্যের আশায় রমযানের সিয়াম পালন করল, তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। ( সহীহ বুখারী, হাদীস : ৩৮, ২০১৪; সহীহ মুসলিম ৭৬০ ) বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন:  فمن صامه وقامه ايمانا واحتسابا خرج من الذنوب كيوم ولدته امه  সুতরাং যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত নেকীর আশায়  রমযানের সিয়াম পালন করল ও কিয়াম করল, সে ঐ দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়, যেদিন সে মায়ের গর্ভ থেকে সদ্যভূমিষ্ঠ হয়েছিল।  ( মুসনাদে আহমদ, হাদীস১৬৬০,মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা হাদীস৭৭৮৭, মুসনাদে বাযযার, হাদিস নং১০৪৮ , সহীহ ইবনে খুযাইমা,  হাদীস নং ২২০১, সুনান আন্ নাসায়ী, হাদীস-২৫১৮ ) এমনকি জান্নাতে একটি বিশেষ দরজা রয়েছে , তার নাম হলো : রাইয়ান । ঐ দরজা দ্বারা সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারে না। এই মর্ম...

সিয়াম কাদের প্রতি ফরজ ?

Image
বিশ্বের সকল মুসলিম , যারা প্রাপ্ত বয়স্ক ,  সুস্থ ,  বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন ও মুকীম তথা নিজ বাসস্থানে অবস্থানকারী সকলের প্রতি রমযান মাসে সিয়াম পালন করা ফরজ। আল্লাহ বলেন :  فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ অর্থাৎ : তোমাদের মধ্যে যেই ব্যক্তি রমযান মাস  পাবে , তার উপর সিয়াম পালন করা ফরজ। 

সিয়াম শব্দর অর্থ কি ?

Image
  সিয়াম বা সওম আরবি শব্দ, এর শাব্দিক অর্থ হলো  বিরত থাকা। ইসলামী শরীয়তে পরিভাষায় সূর্যোদয়ের আগে থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাওয়া ও পান করা, স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সম্পক, অশ্লীল ও ফাহেশ কথা-বার্তাসহ যাবতীয় রোজা বিনষ্টকারী কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে আল্লাহর নির্দেশ মেনে ইবাদত করার নাম হলো সিয়াম। যারা সিয়াম রাখা সত্ত্বেও অশ্লীল ও ফাহেশ কথা- বার্তা, যাবতীয় নোংরামি ভন্ডামি , মিথ্যা, অন্যায় - অপরাধ, চূরী- ডাকাতী , বেঈমানি- শয়তানী ও যাবতীয় ইসলামবিরোধী কাজ কর্ম থেকে বিরত না থাকল , তাদের সম্পর্কে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন : " من لم يدع قول الزور والعمل به فليس لله حاجة في أن يدع  طعامه وشرابه "  যে ব্যক্তি (সিয়াম রাখা সত্ত্বেও ) মিথ্যা পরিত্যাগ করলোনা এবং মিথ্যার প্রতি আমল করতে থাকলো, আল্লাহর নিকট তার খাওয়া - দাওয়া ও পানাহার থেকে বিরত থাকার কোনো মূল্যে নেই । ( সহি বুখারী , কিতাবুস্ সিয়াম , হাদিস নং ১৯০৩ )

যৌতুকের অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ ।

Image
   ভারতে যৌতুকের কারণে আত্মহত্যা সামাজিক চাপ হিসাবে পরিণত হয়েছে। ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালে যৌতুকের কারণে আত্মহত্যার হার মারাত্মক আকার ধারণ করে, এমনকি সরকারকে যৌতুকবিরোধী কঠোর আইন তৈরি করতে হয়েছিল। জাতীয় অপরাধ বিউরু ( Bureau ) রেকর্ড অনুসারে, যৌতুকের কারণে ৩০,০০০ এরও বেশি মৃত্যুর ঘটনা ২০১৪ থেকে ২০১ 2016 সালে রেকর্ড করা হয়েছিল।  তবে যৌতুকের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা যা সরকারের কাছে রেকর্ড নেই, তা উক্ত সংখ্যা থেকে বেশি হওয়ার আশঙ্কা।  কিছুদিন আগে আহমেদাবাদের এক মেয়ে আয়েশা নামীর আত্মহত্যার ভিডিও প্রকাশ পায়, যা তার শ্বশুরবাড়ির যৌতুক ও নির্যাতনের দাবিতে ঘটে, এই ভয়াবহ ঘটনার জন্য যত আফসোস করা যায় তা  কম হবে । কারণ এই ঘটনা তাদের তরফ থেকে ঘটেছে,  যারা  জিহ্বা দ্বারা নিজেকে মুসলিম হিসেবে দাবি করে , কত বড় দুঃখ ও লজ্জাজনক ঘটনা ।  এই ধরণের ঘটনা গুলো যে মুসলিম পরিবারে ঘটেযাচ্ছে , তার মূল কারণ হলো। :  ১)   ইসলামী শিক্ষার অভাব ।  ২) অমুসলিমদের রীতিনীতি ও  কৃষ্টি , কালচারকে   জীবনে বাস্তবায়ন করে নেওয়া।  আমাদের সমাজের প্রতেক ...

পবিত্র রমযান মাসে আমাদের করণীয় কি ?

Image
  রমযান মাস বরকতময় মাস,  রহমতের মাস,  মাগফিরাতের ( ক্ষমার ) মাস, নরক থেকে মুক্তির মাস। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :  যখন এই পবিত্র মাস আছে , একজন ফেরেশতা আল্লাহর পক্ষ থেকে আওয়াজ দেয়,  হে অন্যায়কারীগন ,  তোমরা অন্যায় থেকে বিরত থাকো এবং মন্দ কাজ ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর দিকে ধাবিত হও । হে ভালো কাজে ইচ্ছুক ব্যাক্তি  তোমরা বেশি বেশি করে ভালো কাজের দিকে অগ্রসর হও ।               ( সুনান আত্ তিরমিযী হাদিস নং ৬৮২ ) পবিত্র রমযান মাস কুরআন তেলাওয়াতের মাস, নেকীর মাস , দান ও খাইরাতের মাস, গরীব দূখীকে সাহায্যর মাস, নোংরামি ও ভণ্ডামী থেকে তাওবার মাস, মিথ্যা ও সমস্ত অন্যায়-অপরাধ ও ইসলামবিরোধী কাজ কর্ম থেকে বিরত থাকার মাস । এই মাসে শয়তানকে বেঁধে দেওয়া হয় , যেন সে মানব  ও দানবকে ভুল পথে না নিয়ে যেতে পারে । আমরা বড় সূভাগ্যবাণ , আমারা পবিত্র রমযান মাস পেয়েছি, এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের উপর বড় উপহার ও নেয়ামত, আমাদের জন্য অপরিহার্য এই পবিত্র মাসকে মূল্যায়ন করা।  যারা এই পবিত্র রমযান মাস পেলো...

বর্তমান পরিস্থিতিতে মিডিয়ার শক্তি সঞ্চয় করা মুসলিম উম্মার উপর অনিবার্য ।

Image
  বর্তমান যুগ মিডিয়ার যুগ  (সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন, জার্নালিজম, সাময়িকী, টেলিভিশন, রেডিও, ইন্টারনেট ইত্যাদি)  মিডিয়া সত্যকে মিথ্যা ও মিথ্যাকে সত্য প্রমাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে । বর্তমানে মিডিয়ার গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না, আজ মিডিয়া প্রতিটি ঘড়ে পৌঁছে গেছে । এটি ব্রডকাস্টিং এবং পাবলিশিং এর সবচেয়ে কার্যকর সরঞ্জাম।   তবে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় , যে মুসলিম উম্মাহ এখনও এই শক্তি থেকে বঞ্চিত রয়েছে, যদিও মুসলিম উম্মাহকে ঐ সমস্ত সরঞ্জাম ও শক্তি অবলম্বন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে,  যা দ্বারা ইসলাম প্রচার ও প্রসার করা যায়, বিশ্বে ইসলামের আধিপত্য ও আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। এবং গোটা পৃথিবী তাওহীদের স্লোগানে উজ্জ্বল হয়ে উঠে ।   মুসলমানদের উচিত মিডিয়ার শক্তি সঞ্চয় করা এবং  মিডিয়ার উপর তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা।  ইসলাম দরদী ধনার্থ্য ব্যক্তিদের নিকট আমার বিনীত নিবেদন তারা , যেন মিডিয়ার শক্তি সঞ্চয়ের জন্য অগ্রসর হয়। 

میڈیائی طاقت وقت کی اہم ضرورت

Image
دور جدید میڈیا (اخبار، جرائد، مجلے، ماہنامے، ٹیلی و ریڈیو، انٹرنیٹ وغیرہ وغیرہ )  کا زمانہ ہے،  اس دور میں حق کو باطل اور باطل کو حق ثابت کرنے میں میڈیا کلیدی کردار ادا کرتا ہے ، کوئی بھی ذی شعور اور اہل خرد میڈیا کی طاقت سے انکار نہیں کر سکتا،  آج میڈیا ہر گھر تک پہنچ چکا ہے ، یہ نشرواشاعت اور اور ذرائع و ابلاغ کا سب سے کارگر آلہ ہے۔  لیکن افسوس صد افسوس کہ مسلمان اس طاقت سے آج بھی محروم ہیں، حالانکہ مسلمانوں کو ہر اس طاقت کو اپنانے کی اجازت ہے ، جس کے ذریعہ بحسن خوبی اسلام کی نشر و اشاعت کی جائے، دنیا میں اسلام کی سر بلندی و بالادستی قائم ہو، شرک و بت پرستی کی بیج کنی کیا جاسکے اور  پوری زمین توحید کے نعروں سے گونج اُٹھے۔  ضرورت ہے کہ مسلمان خواب غفلت سے بیدار ہوں، ہوش کے ناخن لیں، اور میڈیائی طاقت پر اپنی بالادستی قائم کریں، یہ وقت کی پکار ہے ۔

আমার একটি ভোট না দিলেই বা কি হবে ?

Image
  কিছু সংখ্যক ভোটার রয়েছে, তারা বলে ,আমি ভোট দিতে যাবোনা । তারা যুক্তিসহকারে বলে, আমার একটি ভোট না দিলেই বা কি হবে ? আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলি :  আপনার একটি ভোট সত্য এবং মিথ্যা, হক এবং বাতিলের মধ্যে পার্থক্য করে তুলতে পারে । আপনার একটি ভোট অনেক অনেক মূল্যবান ভোট ,এই ভোট একজন সৎ ব্যক্তিকে জয় করতে পারে।  আর যদি আপনি আপনার এই মূল্যবান ভোট প্রয়োগ না করেন , তবে একজন অসৎ ব্যক্তি জিতে যেতে পারে । তাই অবহেলা না করে আপনাকে অবশ্যই ভোট কেন্দ্রে প্রবেশ করে,  নিজের ভোট , নিজের অধিকার, সৎ,  সচ্ছল ভালো, দুর্নীতিমুক্ত, সমাজের উন্নতি কারি, জ্ঞানী প্রার্থীকে আপনার অধিকার সমর্থন করতে হবে,  এটাই হলো ইসলামের আদেশ। আল্লাহ বলেন : وَلَا تَكْتُمُوا الشَّهَادَةَ وَمَنْ يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُ آثِمٌ قَلْبُهُ ( سورة البقرة : 283 ) অর্থাৎ :  সাক্ষ্য গোপন করো না, কারণ যে তা গোপন করে তার হৃদয় নিঃসন্দেহ পাপপূর্ণ। ভোট প্রদান করা, প্রার্থীর পক্ষে এক ধরণের সাক্ষী প্রদান করা । আপনি আপনার মূল্যবান ভোট প্রয়োগ করলেন না অর্থাৎ  আপনি সাক্ষী গোপনে রাখলেন , যখন সাক্ষীর প্রয়োজন , তখন...

নির্বাচনের দিকসমূহ

Image
  নির্বাচনের কয়েকটি দিক রয়েছে।  যেমন : নির্বাচন বা ভোট মানে হলো প্রার্থীর পক্ষে সাক্ষী প্রদান করা। সাক্ষী সম্পর্কে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন يا ايها الذين امنوا كونوا قوامين بالقسط شهداء لله ولو على انفسكم او الوالدين والاقربين  হে মুমিনগণ তোমরা ন্যায়বিচারে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত থাকো। আল্লাহর জন্য ন্যায়সঙ্গত সাক্ষী দাও, যদিও তা নিজেদের অথবা পিতামাতা এবং আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে হয় । যে প্রার্থী কে আপনি  আপনার মূল্যবান ভোট প্রদান করলেন , তার অর্থ হল আপনি ওই প্রার্থী সম্পর্কে সাক্ষী দিলেন,  যে উক্ত প্রার্থী হলো সৎ , সচ্ছল,  ভালো,  জ্ঞানী এবং সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণের কাজ করবে। আর যদি প্রার্থীর জীবনে উক্ত বৈশিষ্ট্য ও আচরণ গুলি না থাকে , তবে আপনি একজন মিথ্যাসাক্ষী প্রদানকারী হিসেবে গণ্য হবেন।  এই মর্মে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন الا انبئكم باكبر الكبائر - ثلاثا - الاشراك بالله،  وعقوق الوالدين ، شهاده الزور  অর্থাৎ আমি কি তোমাদেরকে বড় অপরাধ বা বড় গুনাহ সম্পর্কে বলবো , বড় অপরাধ হলো:  আল্লাহর সাথে অন্য কে অংশীদ...

বর্তমান বিশ্বে মুসলমানদের পশ্চাদপদ হওয়ার বৃহত্তম কারণ কি ?

Image
  বিশ্বে মুসলমানদের মোট জনসংখ্যা ১.৪ বিলিয়নেরও বেশি।  আজ বিশ্বের প্রতিটি চতুর্থ ব্যক্তি মুসলমান ।সংখ্যার দিক থেকে খ্রিস্টধর্মের পরে ইসলাম হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। কিছু ইসলামী গবেষকদের দাবি, যে মুসলমানদের জনসংখ্যা খ্রিস্টানদের চেয়ে কম নয় , পরিসংখ্যানের উপর পশ্চিমা দেশগুলির কন্ট্রোল, তাই মুসলিম বিশ্বের জনসংখ্যা কে সঠিক প্রকাশ করা হয় না। আর্থিক ও সম্পত্তির দিক থেকে মুসলিমবিশ্ব কারও থেকে পিছনে নন।  উদাহরণস্বরূপ বলি :   স্বাধীন মুসলিম দেশগুলি পৃথিবীর ৩৪.৮ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটারেরও বেশি জায়গা দখলে আছে।  মুসলমানরা বিশ্বের ৭০% এরও বেশি তেলের মালিক, বিশ্বের কৃষিজমির ৬৫% জমির মালিক মুসলমানরা।  তাদের কাছে তামা, আয়রন, কয়লা এবং সোনার বৃহত্তম খনিজ এবং ধনসম্পদ রয়েছে । সবচেয়ে বড় বিষয় হলো ইসলামী বিশ্বের সেনাবাহিনীর সংখ্যা এই সময় ৬৬ লক্ষ  ৭৬ হাজারেরও বেশি।  বিশ্বের মোট প্রতিরক্ষা বাজেটের এক চতুর্থাংশ বা ৭৬ বিলিয়ন ডলার বার্ষিক একই মুসলিম দেশগুলি ব্যয় করে।  বিশ্বের সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বায়ু এবং জলের রুট মুসলিম দেশগুলির মধ্য দিয়ে যায়।...

আমরা কি মুসলমান ??

Image
আমরা কি মুসলমান  ??  আমি জানি না কেন এই প্রশ্নটি আমার হৃদয়ে বার বার আসে ? যাই হোক  যখন প্রশ্ন এসেছে  উত্তর খোজা আমাদের দরকার ।   বর্তমানে আমরা দুটি অনুভূতির মধ্যে বাস করছি। ১) অধিকাংশ মানুষ রয়েছে যাদের জীবনে ইসলামের চিত্র অস্পষ্ট। ২) কিছু সংখ্যক লোক রয়েছে যারা নিজের জীবনে ইসলামকে প্রধান দেয়।   আমাদের নিজস্ব সভ্যতা ও সংস্কৃতি রয়েছে, প্রচলিত সমাজ , পরিবেশ  সংস্কৃতি ও সভ্যতা আমাদের মডেল নয় , আমাদের ধর্ম আমাদের সমাজ , পরিবেশ,  সভ্যতা ও সংস্কৃতির মডেল।  আমাদের উঠা বসা,  চলা ফেরা,  ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষ্টি-কালচার সবকিছু হবে ইসলামের বিধি বিধান অনুসারে। একমাত্র ইসলাম হল আমাদের জীবনের মডেল।   আমরা এমন সমাজ চাই না , যেখানে কৃষ্টি ও কালচারের নামে ইসলামী মূল্যবোধ ক্ষতিগ্রস্থ হয় ।  আজকে কেন আমারা নিজের কৃষ্টি-কালচারের সাথে সমাজ গড়তে ব্যর্থ? এক জন সত্যিকারে বিশ্বাসী  ব্যক্তির কর্তব্য হবে , সে যেখানেই থাকুক না কেন , সমাজ এবং পরিবেশকে তার নিজস্ব কৃষ্টি-কালচারের মতো করে গড়ে তুলা।  দুঃখের বিষয় আমরা মুসলমান ...

হযরত ঈসা (Jesus) আলাইহিস সালাম এর সম্পর্কিত খাঁটি ও বিশদ বিস্তারিত বিবরণ। ( পবিত্র আল-কুরআনের আলোকে )

Image
     আল্লাহর সর্বশেষ গ্রন্থ আল কূরআনে বর্ণিত বিবরণ অনুসারে, ঈসা আলাইহিস সালাম ছিলেন (আঃ)হযরত মরিয়ম আলাইহাস্ সালাম এর পুত্র, আল্লাহর বাণী এবং তাঁর রুহ , আল্লাহ তাকে পিতা ব্যতীত সৃষ্টি করেছেন।  তিনি মায়ের কোলে মানুষের সাথে কথা বলেন।  আল্লাহ তাকে নবী বানান, তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে এক আল্লাহর ইবাদত ( উপাস্য ) র  ডাক দেন  এবং শিরক থেকে মানবকে নিষিদ্ধ করেছেন।  তিনি আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে অনেক অলৌকিক কাজ করেছিলেন,  যেমন : তিনি কুষ্ঠ, সাদা দাগ এবং টাক প্রভৃতি অসূখ নিরাময় করতেন আল্লাহর ইচ্ছায় তাদের স্পর্শ করে, তিনি অন্ধকে আল্লাহর ইচ্ছায় দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়েছেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তিনি মৃত্যুকে জীবিত করেছিলেন। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন উনার উপর " ইনজীল "  অবতীর্ণ করেন,  এবং তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে তাওহীদের  ডাক দেন।  ইহুদীরা তাঁর শত্রু হয়ে যায়,  এবং তাকে ফাঁসি দেওয়ার চেষ্টা করেছিল,  কিন্তু সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রব্বুল আলামীন শত্রুদের হাত থেকে তিনাকে  রক্ষা করেন , শত্রুরা তাকে ফাঁসি ও  হত্যা করতে পারেনি, আল্লাহ তা...

আপনার উপকারী কে ? আপনি চিনুন।

Image
 মাদ্রাসা ও মসজিদগুলি ধর্মীয় দুর্গ , যতক্ষণ না তাদের আর্থিকভাবে যত্ন নেওয়া হবে, মানুষ আল্লাহর অগণন করুণা থেকে উপকৃত হতে ব্যর্থ হবে। আলেম সমাজ জনগণের সংস্কারের জন্য রাত দিন এক করে,  তারা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, তাই জনগণেরও কর্তব্য ও দায়িত্ব , তাঁরা যেন তাদের আলেম সমাজের অর্থনীতির দিকে লক্ষ্য রাখে।  মাদ্রাসার ঐ আলেম সমাজ এবং মসজিদের  ইমাম ও মুয়েজিনগণ আকাশপথে বাতাস খেয়ে জীবন যাপন করেন না, মানুষের মতো তাদেরও নিজস্ব চাহিদা রয়েছে,  যা যত্ন নেওয়াই মানুষের ধর্মীয়, নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব। আপনি মাসে পঁচিশ থেকে তিরিশ হাজার বা চল্লিশ হাজার টাকা খরচ করেন, কিন্তু আলেম সমাজ ও মসজিদের ইমাম যারা আমাদের এবং আমাদের সন্তানের ভবিষ্য সংস্কারের জন্য দিন রাত এক করে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন  তাঁদের জন্য হাজার পাঁচশত টাকাও আপনার কাছে নেই?  যদি আমাদের আচরণ এবং কর্ম এই হয় , তবে এই জাতি এবং সমাজের ভাগ্য কী হতে পারে  ?  তারা আপনার কাছে ভিক্ষা চায় না, তারা তাদের অধিকার চায়,  যা আল্লাহ আপনার উপর চাপিয়ে দিয়েছেন। আপনি যদি তাদের অধিকার দিতে ন...

জাতীয় ঐক্যতা প্রচারে মুসলমানদের ভূমিক

Image
আজকে ভারতবর্ষের বর্তমান পরিস্থিতি খুব দুঃখজনক,  সহানুভূতি, সহনশীলতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও জাতীয় ঐক্যবদ্ধতা ধারণা গুলি অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে।    জনগণ গঙ্গা-জামনি সভ্যতার কথা ভুলে গেছে।ধর্ম, জাতি ও সম্প্রদায় নামে ধর্মের ঘৃণার বিষ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে, এর ফলাফলও সুস্পষ্ট দৃষ্টিতে দেখা যায়। শুধু তাই নয়, আমরা একে অপরের অস্তিত্বকেও ঘৃণা করতে শুরু করেছে ।    সুতরাং মানুষের বিবেককে জাগ্রত করা এবং জনগণকে মানবতার বার্তা প্রদান করা এবং তাদেরকে দেশপ্রেমিক গড়ে তোলা , তাদের মধ্যে ভালবাসা সৃষ্টি করা, ভ্রাতৃত্ব ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলা মুসলমানদের প্রাচীন বৈশিষ্ট্য ও পরিচয়,  ইতিহাস এর সাক্ষ্য বহন করে। পৃথিবীর মাঝে ইসলাম এক মাএ ধর্ম যা মানুষের মধ্যে ভালবাসা এবং সদিচ্ছাকে উত্সাহ দেয়, শুধু মাত্র ভ্রাতৃত্ব এবং ভালবাসার পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত করে না, বরং ন্যায়বিচার এবং সাম্যের ডাক দেয়।  এই ধর্মে জোরপূর্বক কোন কাজ কোন ব্যক্তির উপর চাপানো হয় না, প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ বিশ্বাস ও ধর্ম গ্রহণের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রাখে।   ইসলাম একটি সর্বজনীন ধর্ম,  ঐক্যবদ...

যৌথ পরিবার - বৈবাহিক অধিকার লঙ্ঘন

Image
   * একটি যৌথ পরিবারের সুবিধাগুলি  সবাই সন্ধান করে,  তবে কোনও বুদ্ধিমান ব্যক্তি এর অসুবিধাগুলি অস্বীকার করতে পারে না ।  একটি যৌথ পরিবারে বিবাহিত দম্পতির অধিকারগুলি মারাত্মকভাবে লঙ্ঘিত হয়। কারণ একই বাড়িতে যদি পিতা-মাতা, ভাইবোন, আর বাড়ির অন্যান্য সদস্য যৌথভাবে থাকে, তবে বিবাহিত দম্পতি তাদের ইচ্ছার পরেও তাদের নিজস্ব  ইচ্ছা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়। যদিও তা পূরণ হলেও গোসলে সমস্যা থেকে যায়,  স্বামী কোনও অজুহাতে গোসলের জন্য বেরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু স্ত্রীর সমস্যা থেকে যায়।  এবং সবচেয়ে বড় সমস্যা হল ফজরের স্বলাত । এক জন ব্যক্তি যদি সে তার স্ত্রীর সাথে রাতের বেলা মিলিত হয় , তবে বাস্তবে ফজর স্বলাতের জন্য গোসল করা উভয়ের পক্ষে সমস্যা হয়ে উঠে। ফলে ফজরের সালাত গোল হয়ে যায় ।  এখন এই দু'জন নিপীড়িত লোক যৌথ পরিবারে থাকার কারণে তারা যদি নিজ আকাঙ্ক্ষাকে অগ্রাধিকার দেয় তবে ফজরের সালাত বিলম্বিত হবে, এবং তারা যদি এই ব্যবস্থায় বেঁচে থাকতে নিজের ইচ্ছাকে ত্যাগ করে তবে এই বিয়ের লাভ কী ...? ?