যৌতুকের অভিশাপ থেকে মুক্তির পথ ।
ভারতে যৌতুকের কারণে আত্মহত্যা সামাজিক চাপ হিসাবে পরিণত হয়েছে। ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালে যৌতুকের কারণে আত্মহত্যার হার মারাত্মক আকার ধারণ করে, এমনকি সরকারকে যৌতুকবিরোধী কঠোর আইন তৈরি করতে হয়েছিল। জাতীয় অপরাধ বিউরু ( Bureau ) রেকর্ড অনুসারে, যৌতুকের কারণে ৩০,০০০ এরও বেশি মৃত্যুর ঘটনা ২০১৪ থেকে ২০১ 2016 সালে রেকর্ড করা হয়েছিল। তবে যৌতুকের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা যা সরকারের কাছে রেকর্ড নেই, তা উক্ত সংখ্যা থেকে বেশি হওয়ার আশঙ্কা।
কিছুদিন আগে আহমেদাবাদের এক মেয়ে আয়েশা নামীর আত্মহত্যার ভিডিও প্রকাশ পায়, যা তার শ্বশুরবাড়ির যৌতুক ও নির্যাতনের দাবিতে ঘটে, এই ভয়াবহ ঘটনার জন্য যত আফসোস করা যায় তা কম হবে । কারণ এই ঘটনা তাদের তরফ থেকে ঘটেছে, যারা জিহ্বা দ্বারা নিজেকে মুসলিম হিসেবে দাবি করে , কত বড় দুঃখ ও লজ্জাজনক ঘটনা ।
এই ধরণের ঘটনা গুলো যে মুসলিম পরিবারে ঘটেযাচ্ছে , তার মূল কারণ হলো। :
১) ইসলামী শিক্ষার অভাব ।
২) অমুসলিমদের রীতিনীতি ও কৃষ্টি , কালচারকে জীবনে বাস্তবায়ন করে নেওয়া।
আমাদের সমাজের প্রতেক সদস্যর জন্য অপরিহার্য ও ফরয , নিজেকে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে, জীবনের প্রত্যেক মুহূর্তে ইসলামী বিধি বিধানকে মূল্যায়ন ও বাস্তবায়ন করা, এবং অমুসলিমদের রীতিনীতি, কৃষ্টি ও কালচার থেকে দূরে থাকা ।

اللهم احفظنا من هذه الخرافات وأخرجنا من هذه المشاكل والفتن الشنيعة آمين.
ReplyDelete