মুসলিম বোনদের ধর্মত্যাগ, দায়ী কে ?

 মুসলিম বোনদের ধর্মত্যাগ, দায়ী কে ? 

আব্দুর রাকিব নাদভী



প্রিয় পাঠক! বর্তমান সময়ে মুসলিম উম্মাহ একাধিক বড় বড় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। এবং বর্তমান সমাজের চ্যালেঞ্জেজের মধ্যে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে মুসলিম বোনদের ধর্মত্যাগ করে অমুসলিম ছেলেদের সাথে বিবাহিত জীবনে আবদ্ধ হওয়া। এক কথায় জান্নাতের পথকে অতিক্রম করে দোযখের পথ অবলম্বন করা। ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করার অর্থই হচ্ছে নিজেকে নরকের ইন্ধনে পরিণত করা।

 আর দুঃখের বিষয় বর্তমানে মুসলিম তরুণ ও তরুণী বিশেষ করে মুসলিম মেয়েরা এই অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে।

এটি মুসলিম বিশ্বের জন্য এটি একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার 2020 সালের সমীক্ষা প্রতিবেদন অনুসারে, গত তিন বছরে চল্লিশ হাজারেরও বেশি মুসলিম মেয়ে অমুসলিমদের বিয়ে করেছে এবং সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। (হিন্দুস্তান গেজেট 2020)

মুসলিম মেয়েদের এভাবে স্বেচ্ছায় হোক বা বলপ্রয়োগ করে হোক বা পরিকল্পিতভাবে হোক,  ধর্মত্যাগের পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি বড় ট্র্যাজেডি ও কোন দুর্ঘটনার চেয়ে কম নয়।

মুসলিম স্কলারস, ধর্মীয় পন্ডিত , আলেম ওলামা, এবং নেতৃত্ববৃন্দ ও সমাজ সেবক মানুষদের উচিত ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঠান্ডা মাথায় এই বিষয়ে পরিকল্পনা তৈরি করা।এবং সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করে মুসলিম উম্মাহর ঈমানের হেফাজত করা।

মুসলিম বোনদের ধর্মত্যাগ, ঘটনা শুনে শরীরের সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাঁপছে, হৃদয়ে যেমন আগুন লেগে গেছে।

এবং মনে এক অদ্ভুত বিভ্রান্তি বিরাজ করছে। 

কোথায় যাচ্ছে আমাদের বোনেরা? কে কেড়ে নিলো তাঁদের ঈমান? কে তাদেরকে ইসলাম ত্যাগে বাধ্য করেছে? কি কারণে তাঁরা নিজের পরকাল নষ্ট করল? 

 কেন তারা জান্নাতের পথ অতিক্রম করে নরকে পথে এগিয়ে গেল? 

এর দায়ী কে ? এর সর্ব প্রথম দায়ী হচ্ছে পিতা মাতা, আলেম সমাজ, মুসলিম নেতৃত্ববৃন্দ এবং মুসলিম সমাজের ধনার্থ ব্যাক্তিরা।

সর্ব প্রথম দায়ী: পিতা মাতা

পিতা মাতার দায়িত্ব ছিল নিজ সন্তান সন্তাদিকে সর্ব প্রথমে ধর্মীয় শিক্ষায় সজ্জিত করা কিন্তু তাঁরা তাঁদের এই দায়িত্ব পালন করেননি। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত না করে তারা তাঁদের নিষ্পাপ কন্যাদের মিশনারি স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করেছে, যা আসলে তাঁদের ঈমান ধ্বংসের উৎস। যেখানে দৈনন্দিন ঈমান ও ইসলামী কৃষ্টি, কালচার ও শিক্ষার বিরুদ্ধে ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো হয়। যেখানে পশ্চিমা সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে প্রধান্য দেওয়া হয়। যেখানেই তারা  নারী স্বাধীনতার মিথ্যা পশ্চিমা স্লোগানের শিক্ষা অর্জন করে। 

দ্বিতীয় দায়ী হচ্ছে আলেম সমাজ:

আলেম সমাজ তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেননি। তার কারণে সমাজের এই দূর দশা। যদি তারা সমাজ সংস্কার সম্পর্কে নিজ দায়িত্বকে সক্রিয়ভাবে পালন করতো, তবে সমাজ ইসলামিক সচেতনায় এত নিম্নস্তরে পৌঁছে যেতো না। দৈনন্দিন সমাজ ইসলামের দিকে এগিয়ে যেতো। কিন্তু আলেম সমাজ ও মুসলিম নেতৃত্ববিন্দদের অবহেলা এবং সমাজ সম্পর্কে অলসতার কারণে আজকে মুসলিম উম্মাহ ইসলামী কৃষ্টি, কালচার এবং শিক্ষা থেকে দৈনন্দিন পিছিয়ে যাচ্ছে । আমাদের করণীয় এই সম্পর্কে সচেতনতা ও সক্রিয়তা অবলম্বন করা।

তৃতীয় দায়ী মুসলিম নেতৃত্ববৃন্দ:

মুসলিম নেতৃত্বের দায়িত্ব হচ্ছে মুসলিম উম্মাহকে ইসলামিক কৃষ্টি-কালচার ও শিক্ষার সহিত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া এবং যেখানে গাইডের প্রয়োজন, সেখানে তাঁকে সঠিক মুহূর্তে এবং সঠিক গাইড করা। কিন্তু  দায়িত্ব সম্পর্কে তাদের অবহেলা এবং অলসতার কারণে আজকে মুসলিম সমাজ অমুসলিম কৃষ্টি কালচারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং ইসলামিক কৃষ্টি, কালচার ও শিক্ষা থেকে দৈনন্দিন পিছিয়ে যাচ্ছে।

চতুর্থ দায়ী হচ্ছে মুসলিম সমাজের ধনার্থ ব্যক্তিরা।

মুসলিম সমাজের ধনার্থ ব্যক্তিদের করণীয় ছিল তাঁরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও নেয়ামতের কদর করে নিজ নিজ অর্থ ও সমর্থ্য অনুযায়ী সমাজ সচেতনা ও সংস্কারের কাজে নিজেকে বেশি বেশি করে নিমজ্জিত করা। যেমন:  সঠিক পদ্ধতি ও পরিমাণ অনুযায়ী যাকাত

 বের করে সঠিক জায়গায় তা ব্যয় করা। গরিব, দারিদ্র্য ও অভাবী পরিবারকে সাহায্য করা, মুসলিম এলাকাতে একাধিক উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করে সমাজের সকল সদস্যকে শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলা। মুসলিম সমাজে উদ্ভিদ সমস্যার সমাধানে, যদি অর্থ প্রয়োজন হয়, নিঃস্বার্থ এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের উদ্দেশ্যে সেখানে অর্থ ব্যয় করা। সমাজের সব প্রকার কল্যাণকর কাজে নিজেকে পেশ করা ইত্যাদি।

কারণ সমুহ: 

১ - বাড়িতে ইসলামী পরিবেশের অভাব: 

দুঃখের বিষয় আজ আমাদের বাড়ি ও সমাজের পরিবেশ এমন হয়ে গড়ে উঠেছে যে আমাদের নতুন প্রজন্ম ছেলে ও মেয়েরা তারা জানে না যে, মুসলমান বলতে কি বুঝায়? তারা জানে না আমরা মুসলিম কেন? তারা জানে না একজন মুসলিম ও অমুসলিমের  মধ্যে মৌলিক ও বাস্তব পার্থক্য কি? 

মুসলমানদের বাড়ি ও সমাজের পরিবেশ এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে, মুসলমানদের বাড়ি আর অমুসলিমদের বাড়ির মধ্যে কোনো বিশেষ পার্থক্য অনুভব করা যায় না। আজকে মুসলিম বাড়িতে অমুসলিমদের কৃষ্টি ও কালচার যেমন: জন্মদিন পালন, ঢাক-ঢোল বাজানো, নাচ-গান, পরস্পর বিদ্বেষ ও হিংসা, ভাতৃত্বের অভাব ইত্যাদি। আজ মুসলিম বাড়িতে স্বলাত নেই, রোজা নেই ,পরস্পর ভ্রাতৃত্ব, সম্প্রীতি,সহানুভূতি , ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নেই, জীবনে ইসলামী আচার আচরণ নেই,  এবং অন্য  কল্যাণমূলক কর্ম পরিকল্পনা নেই ইত্যাদি।মোটকথা: আমাদের বাড়ির পরিবেশ একেবারেই ধর্মহীন হয়ে পড়েছে।

সমাজে ইসলামী পরিবেশের অভাব: 

আজকে মুসলিম সমাজের পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে না এটি ইসলামী পরিবেশ। দুঃখের বিষয় আজ মুসলিম সমাজ একেবারে অমুসলিম সমাজে পরিণত হয়েছে। আজকে মুসলিম জনগণ ইসলামিক কৃষ্টি কালচার ও শিক্ষাকে প্রত্যাখ্যান করে অমুসলিম কৃষ্টি কালচার অনুযায়ী সমাজ গড়ে তুলেছে। বর্তমানে মুসলিম সমাজ আর অমুসলিম সমাজের মধ্যে বিশেষ কিছু পার্থক্য অনুভব করা যায় না। অমুসলিম সমাজের নানা কৃষ্টি কালচার মুসলিম সমাজে প্রবেশ করেছে। যেমন: যৌতুকের অভিশাপ, বদ্র যন্ত্র ও ঢাক-ঢোল, মদ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য, সূদ ও ঘুষ, বেঈমানি ও শয়তানি, হিংসা ও বিদ্বেষ, মিথ্যা ও আমানতের খেয়ানত, পরস্পর ঝগড়া ও শত্রুতা, নোংরামি ও ভন্ডামি, অন্যায় ও অত্যাচার, নির্যাতন ও অবৈধ ভাবে বল প্রয়োগ ইত্যাদি।

ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব: 

বর্তমান মুসলিম সমাজকে পর্যবেক্ষণ করলে বিষয়টি একেবারেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, যে আজকে মুসলিম সমাজ ইসলামী শিক্ষা, চেতনা সম্পর্কে একেবারে নিম্নস্তরে পৌঁছে গেছে। তাঁদের মধ্যে ধর্মীয় জ্ঞান ও  শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতার অভাবের কারণেই আজকে মুসলিম সমাজের এই দুর্দশা।

মুসলিম জাতি হচ্ছে ঐ জাতি, যাদের গ্রন্থের সর্বপ্রথম নির্দেশ শিক্ষা সম্পর্কে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ মুসলিম জাতি শিক্ষা সম্পর্কে বিশ্বের অন্যান্য জাতি থেকে পিছিয়ে পড়েছে। আর এই ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত না হওয়ার কারণে আজকের তরুণ ও  তরুণী অন্য ধর্মর দিকে আকর্ষিত হচ্ছে। 

মুসলিম সমাজের উপর অপরিহার্য যে,  সমাজের প্রত্যেকটি সদস্যকে ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা। এই বিষয়ে কোন প্রকার অলসতা এবং অবহেলা করা চলবে না। কারণ একজন  ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যাক্তি ভুলেও কোনো দিন ধর্মত্যাগের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারে না।

নৈতিক শিক্ষার অভাব:

পিতা মাতা ও অভিভাবক অভিভাবিকাদের উপর অপরিহার্য তারা যেন নিজের সন্তান সন্তাদি ও আত্মীয়স্বজনদেরকে ধর্ম শিক্ষার সাথে সাথে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলে। ধর্মীয় শিক্ষা অর্জন করা একজন মানুষের জীবনে তাঁর খাদ্য থেকেও বেশি প্রয়োজন। ধর্মীয় শিক্ষায়ই মানুষকে একমাত্র সঠিক পথ প্রদর্শন করে। নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে ইসলামী মেজাজ তৈরি করে হবে। আর তার মধ্যে ইসলামী মেজাজ তৈরি হয়ে গেলে সে মৃত্যু পর্যন্ত ইসলাম ও ঈমানের প্রতি অটল থাকবে ইন শা আল্লাহ। এবং পৃথিবীর কোনো শক্তি তাকে পরিবর্তন করতে পারবে না।

প্রশ্ন: কোন মুসলিম তরুণ বা তরুণী কোন অমুসলিম তরুণ বা তরুণীকে বিয়ে করতে পারে কি?

উত্তর: কোন মুসলিম তরুণ বা তরুণী কোন অমুসলিম তরুণ বা তরুণীকে বিয়ে করতে পারে না এটি ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে অবৈধ ও হারাম কাজ। এই মর্মে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:

وَلا تَنكِحُوا المُشرِكٰتِ حَتّىٰ يُؤمِنَّ ۚ وَلَأَمَةٌ مُؤمِنَةٌ خَيرٌ مِن مُشرِكَةٍ وَلَو أَعجَبَتكُم ۗ وَلا تُنكِحُوا المُشرِكينَ حَتّىٰ يُؤمِنوا ۚ وَلَعَبدٌ مُؤمِنٌ خَيرٌ مِن مُشرِكٍ وَلَو أَعجَبَكُم ۗ أُولٰئِكَ يَدعونَ إِلَى النّارِ ۖ وَاللَّهُ يَدعوا إِلَى الجَنَّةِ وَالمَغفِرَةِ بِإِذنِهِ ۖ وَيُبَيِّنُ ءايٰتِهِ لِلنّاسِ لَعَلَّهُم يَتَذَكَّرونَ

অর্থ: আর তোমরা মুশরেক নারীদেরকে বিয়ে করোনা, যতক্ষণ না তারা ঈমান গ্রহণ করে। অবশ্য মুসলমান ক্রীতদাসী মুশরেক নারী অপেক্ষা উত্তম, যদিও তাদেরকে তোমাদের কাছে ভালো লাগে। এবং তোমরা (নারীরা) কোন মুশরেকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ো না, যে পর্যন্ত সে ঈমান না আনে। একজন মুসলমান ক্রীতদাসও একজন মুশরেকের তুলনায় অনেক ভাল, যদিও তোমরা তাদের দেখে মোহিত হও। তারা দোযখের দিকে আহ্বান করে, আর আল্লাহ নিজের হুকুমের মাধ্যমে আহ্বান করেন জান্নাত ও ক্ষমার দিকে। আর তিনি মানুষকে নিজের নির্দেশ বাতলে দেন যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে। ( সুরা আল বাকারাহ আয়াত নং ২২১)

অর্থাৎ একজন অমুসলিম তরুণ বা তরুনীর সাথে বিবাহিত জীবনে আবদ্ধ হওয়াকে ইসলামী শরীয়ত কোন দিন সাপোর্ট করে না, বরং এটি ইসলামী শরীয়তের দৃষ্টিতে একটি বড় ধরনের অপরাধ। কারণ এই কর্মর দ্বারা সে  নিজ পরকালকে ধ্বংস করে এবং জান্নাতের বিনিময়ে নরকে ক্রয় করে।

عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلاَثٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ وَجَدَ حَلاَوَةَ الإِيمَانِ أَنْ يَكُونَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِمَّا سِوَاهُمَا، وَأَنْ يُحِبَّ الْمَرْءَ لاَ يُحِبُّهُ إِلاَّ لِلَّهِ، وَأَنْ يَكْرَهَ أَنْ يَعُودَ فِي الْكُفْرِ كَمَا يَكْرَهُ أَنْ يُقْذَفَ فِي النَّارِ

অর্থ:তিনটি জিনিস যার মধ্যে রয়েছে, সে ঈমানের প্রকৃত স্বাদ অনুভব করতে পেরেছে। ১. যার কাছে আল্লাহ্ ও তার রাসূল (সা.) সবচেয়ে বেশী প্রিয়। ২. কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই অন্যকে ভালোবাসে। ৩. যাকে আল্লাহ্ কুফর থেকে মুক্তি দিয়েছেন, সে পুনরায় কুফরের দিকে ফিরে যাওয়াকে এমন অপছন্দ করে যেমন অপছন্দ করে আগুনে নিক্ষিপ্ত হওয়াকে। ( সহীহ আল বুখারী কিতাবুল ঈমান হাদিস নং ১৬)

হে আল্লাহ ! তুমি আমাদের তরুণ সমাজকে এই ফিতনা থেকে মুক্তি প্রদান কর। এবং তৌফিক দাও জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ঈমানের উপর অটল থাকতে পারি। আমীন

মুসলিম বোনদের ধর্মত্যাগ, দায়ী কে ? 

আব্দুর রাকিব নাদভী


Comments

Popular posts from this blog

ভারত বর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেরশাহবাদি সম্প্রদায়ের অবদান। আব্দুর রাকিব নাদভী

ওয়াকফ আইন ও মুসলিম ঐক্য

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভূমিকা।