লাইলাতুল কদরের গুরুত্ব ও ফজিলত কি ?
কদর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাময় রাত। এই রাত্রিতে মহান স্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র আল-কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। এই রাত্রিতে আল্লাহর যিকির আযকার ,কুরআনের তেলাওয়াত ও এবাদতে লিপ্ত থাকা, হাজার মাসের ইবাদত থেকে উত্তম। এই রাত্রে হযরত জিবরাঈল আলাইহিস সালাম ফেরেশতা বর্গ কে সঙ্গে নিয়ে পৃথিবীতে অবতরণ করেন। এই রাতে এক বছরের সকল প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। এটি হলো শান্তিময় এবং বরকতময় রাত। এই রাত্রের মর্যাদা ও ফজিলত সম্পর্কে স্বয়ং মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:
انا انزلناه في ليلة القدر ، وما ادراك ما ليلة القدر ، ليلة القدر خير من الف شهر ، تنزل الملائكة والروح ، فيها باذن ربهم من كل أمر ، سلام هي حتى مطلع الفجر
অর্থাৎ: নিশ্চয় আমি এটি ( গ্রন্থ আল কুরআন ) অবতরণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে, তুমি কি জানো মহিমান্বিত রজনীটি কি? মহিমান্বিত রজনী হাজার মাসের চাইতে শ্রেষ্ঠ, ফেরেশতাগণ এবং হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম , তাঁদের প্রভু মহান আল্লাহর নির্দেশ ও অনুমতিক্রমে, প্রতিটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে অবতরণ করেন। এটি শান্তিময় রাত ফজরের সূচনা পর্যন্ত।
( সূরা আল কদর আয়াত ১ - ৫ )
হযরত আবু হুরাইরাহ রাযিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
من قام ليلة القدر ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه
অর্থাৎ: যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত নেকির আশায় মহিমান্বিত রাত ( কদর ) জাগরণ করে আল্লাহর এবাদত ও উপাসনা করে , তার অতীতের পাপ ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
( সহি আল বুখারী, কিতাবুস সাওম, হাদিস নং ১৯০১, সহি মুসলিম, কিতাবু সালাতুল মুসাফিরীন হাদিস নং ১৮১৭ )

Comments
Post a Comment