সিয়ামের ফজিলত কি ?

 



কোন ব্যক্তি যদি সঠিক পদ্ধতি অনুযায়ী সিয়াম পালন করে,  তবে তার অতীতের গুনাহ ও পাপ মোচন হয়ে যায় । বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: 

 " من صام رمضان ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه " 

অর্থাৎ : যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত পূণ্যের আশায় রমযানের সিয়াম পালন করল, তার অতীতের গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। ( সহীহ বুখারী, হাদীস : ৩৮, ২০১৪; সহীহ মুসলিম ৭৬০ )

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন: 

فمن صامه وقامه ايمانا واحتسابا خرج من الذنوب كيوم ولدته امه

 সুতরাং যে ব্যক্তি ঈমানের সহিত নেকীর আশায়  রমযানের সিয়াম পালন করল ও কিয়াম করল, সে ঐ দিনের মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়, যেদিন সে মায়ের গর্ভ থেকে সদ্যভূমিষ্ঠ হয়েছিল। 

( মুসনাদে আহমদ, হাদীস১৬৬০,মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা হাদীস৭৭৮৭, মুসনাদে বাযযার, হাদিস নং১০৪৮ , সহীহ ইবনে খুযাইমা,  হাদীস নং ২২০১, সুনান আন্ নাসায়ী, হাদীস-২৫১৮ )

এমনকি জান্নাতে একটি বিশেষ দরজা রয়েছে , তার নাম হলো : রাইয়ান । ঐ দরজা দ্বারা সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি প্রবেশ করতে পারে না। এই মর্মে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেন: 

ان في الجنه بابا يقال له الريان،  يدخل منه الصائمون يوم القيامه ، لا يدخل منه احد غيرهم،  يقال اين الصائمون ، فيقومون ، لا يدخل منه احد غيرهم،  فاذا دخلوا اغلق،  فلم يدخل منه احد

জান্নাতে একটি বিশেষ দরজা আছে যার নাম হল রাইয়ান ওই দরজা দিয়ে কেবলমাত্র সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি প্রবেশ করবে, অন্য কেউ এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেনা। ঘোষণা করা হবে , কোথায় সৌভাগ্যবান সিয়াম পালনকারী ব্যক্তিগণ  ? তখন তারা উঠে দাঁড়াবে।  তারা ছাড়া কেউ এই দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে সক্ষম হবে না।

 অতঃপর সিয়াম পালনকারী ব্যক্তিগণ যখন প্রবেশ করে নিবেন তখন দরজাটি বন্ধ করে দেওয়া হবে। 

( সহি বুখারী হাদিস নং ১৮৯৬, সহি মুসলিম হাদিস নং ১১৫২)


Comments

Popular posts from this blog

ভারত বর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেরশাহবাদি সম্প্রদায়ের অবদান। আব্দুর রাকিব নাদভী

ওয়াকফ আইন ও মুসলিম ঐক্য

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভূমিকা।