Posts

Showing posts from October, 2021

أول من ترجم القرآن الکریم باللغة البنجالية ؟

Image
  أول من  ترجم القرآن الکریم باللغة البنجالية ؟   من المعروف على نطاق واسع بين المتحدثين باللغة البنجالية بأن أول مترجم للقرآن الكريم باللغة البنجالية  هو    جيريش شاندرا سين   حتى لو كنت تبحث عن سيرة جيريش شاندرا سين على موقع جوجل ، فإنها تقول أن جيريش شاندرا سين مترجم للقرآن.  ليس ذلك فحسب ،  جوجل تدعى بأن جيريش شاندرا سين كان    أول مترجم للقرآن الكريم كاملاً باللغة البنجالية.    هذا خطأ تاريخي فادح وكذب فاحش.  فالواقع ان جيريش شاندرا سين لم يكن مترجما للقرآن  الكريم، بل كان ناشرًا له .    ولد جيريش شاندرا سين عام 1835 من الميلاد  وتوفي عام 1910 من الميلاد.  بدأت الترجمة البنغالية للقرآن الكريم في عام 1808 الميلادي  ، أي قبل ميلاد جيريش شاندرا بحوالي 26 عامًا ، وقد قام بهذا العمل المبارك  لترجمة القران الكريم باللغه البنغالية مولانا أمير الدين باسونيا -  رحمه الله .   بعد عام واحد من ولادة جيريش شاندرا سين ، في عام 1838 من الميلاد ، قام المولوي نعيم الدين - رحمه الل...

قرآن شریف کا پہلا بنگلہ مترجم کون ہے ؟

Image
 قرآن شریف کا پہلا بنگلہ مترجم کون ہے؟   بنگلہ زبان بولنے والوں میں یہ بات مشہور ہے کہ قرآن کا پہلا بنگالی مترجم گریش چندر سین تھا۔  یہاں تک کہ اگر آپ گوگل سائٹ پر گریش چندر سین کی سوانح تلاش کرتے ہیں،  تو اس میں کہا گیا ہے کہ گریش چندر سین قرآن کا بنگلہ پہلامترجم  تھا۔   یہ ایک تاریخی غلطی ہے ،  گریش چندر سین قرآن مجید بنگلہ مترجم نہیں تھا ، چہ جائے کہ پہلا مترجم ، بلکہ وہ ایک پبلشر تھا۔  گریش چندر سین 1835 میں پیدا ہوئے اور 1910 میں ان کی وفات ہوئی ۔  قرآن کا بنگالی ترجمہ گریش چندر کی پیدائش سے تقریبا 27 سال قبل  یعنی 1808 عیسوی میں شروع ہوا۔ ترجمہ کا کام مولانا امیر الدین بسونیا نے شروع کیا۔  گریش چندر سین کی پیدائش کے تین سال بعد یعنی 1838 عیسوی میں مولوی نعیم الدین نے مکمل قرآن مجید کا بنگلہ ترجمہ مکمل کیا۔ خلاصہ کلام یہ ہے کہ گریش چندر سین  قرآن مجید کا بنگلہ پہلا مترجم تو دور کی بات، قرآن کریم کا مترجم بھی نہیں تھا،   بنگلہ زبان میں قرآن کا پہلا جزوی ترجمہ 1808 میں  مولانا امیر الدین بسونیا نے کیا،  ...

ছোটদের বক্তব্য পর্ব (৭) বিষয়: কবর

Image
কবর   نحمده ونصلي على رسوله الكريم اما بعد اعوذ بالله من الشيطان الرجيم ، بسم الله الرحمن الرحيم النار يعرضون عليها غدوا وعشيا ويوم تقوم الساعة ادخلوا ال فرعون اشد العذاب (  الغافر: 46 )  عن عثمان بن عفان قال ان رسول الله قال ان القبر اول منازل الاخرة فان نجا منه فما بعده ايسر منه ، وان لم ينج منه فما بعده اشد منه سنن الترمذيبرقم 2308 سنن ابن ماجه برقم : 4408 وحسنه الالباني মাননীয় সভাপতি, বিচারকমণ্ডলী,  সহপাঠীগণ,  ও প্রিয় শ্রোতা!   আজকে এই সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানে আমি যে বিষয় নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড় হয়েছি,  সেটি হলো "  কবর"   উপস্থিত দিনি ভাইসকল!   কবর, এমন এক স্থান,  যার নাম শুনলেই অধিকাংশ মানুষের হৃদয় কেঁপে উঠে । প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:  فزوروا القبور فانها تذكر الموت  ( صحيح مسلم كتاب الجنائز برقم: 2304) অর্থাৎ তোমরা কবর জিয়ারত করো, কারণ কবর জিয়ারত মরণকে স্মরণ করিয়ে দায়।  প্রিয় শ্রোতা !  উক্ত হাদীস দ্বারা প্রমানিত যে , বেশি বেশি কবর জিয়ারত করলে মরণ স্মরণ হয় । এর ...

কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ?

Image
  কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ?  বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত আছে যে,কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক হল : গিরীশ চন্দ্র সেন । এমনকি  ( Google ) গোগোল সাইটে আপনি  যদি গিরীশ চন্দ্র সেনের জীবনী সার্চ করেন, সে খানেও লিপিবদ্ধ আছে, যে গিরীশ চন্দ্র সেন হলো একজন কুরআনের অনুবাদক।  শুধু তাই নয়,লিপিবদ্ধ আছে,যে গিরীশ চন্দ্র সেন হলো পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের  প্রথম বাংলা অনুবাদক।   এটি একটি ইতিহাসিক ভূল ও মিথ্যা কথা । গিরিশ চন্দ্র সেন কোরআন মাজিদের  বাংলা অনুবাদক , বা প্রথম অনুবাদক নন,তিনি ছিলেন একজন প্রকাশক। গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্ম হয় ১৮৩৫ সালে এবং মৃত্যু ১৯১০ সালে। গিরিশ চন্দ্রের জন্মের প্রায় ২৭ বছর আগে অর্থাৎ ১৮০৮ সালে কুরআন শরীফের বাংলা অনুবাদের কাজ শুরু হয় ।অনুবাদের কাজ শুরু করেন মাওলানা আমীর উদ্দীন বসুনিয়া। আর  গিরিশ চন্দ্র সেনের জন্মের এক (১) বছর পর অর্থাৎ ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন শরীফের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। মূল কথা হলো :   গিরিশ চন্দ্র সেন কোরআন মাজিদের বাংলা অনুবাদক নন,তিনি ছিলেন একজন প...

ছোটদের বক্তব্য পর্ব ( ৬ ) বিষয় : কূরবানীর ফজিলত ও মর্যাদা

Image
কূরবানীর ফজিলত ও মর্যাদা  نحمده ، ونستعينه،  ونستغفره ، ونعوذ بالله من شرور انفسنا، ومن سيئات اعمالنا ، من يهده الله فلا مضل له ، ومن يضلل فلا هادي له ، ونشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له ،ونشهد ان محمدا عبده ورسوله،  اما بعد:  اعوذ بالله من الشيطان الرجيم،  بسم الله الرحمن الرحيم، لن ينال الله لحومها ولا دماؤها ولكن يناله التقوى منكم ( الحج  رقم الاية : 37 ) عن ابي هريره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : من كان له سعة ولم يضح فلا يقربن مصلانا  ( سنن ابن ماجه كتاب الاضاحي، رقم الحديث: 3242 ) সম্মানিত বিচারকমণ্ডলী, প্রিয় সহপাঠীগণ, বিশেষ অতিথি বৃন্দ,  দ্বীন দরদী ভাইসকল !  আজকে এই বাৎসরিক অনুষ্ঠানে আমার বিষয়বস্তু হলো "  কোরবানির ফজিলত ও মর্যাদা "   প্রিয় শ্রোতা !  কুরবানী একটি আরবি শব্দ যা  قرب ধাতু থেকে গঠিত,  যার শাব্দিক অর্থ হল নৈকট্য লাভ করা। এখান থেকে গৃহীত হয়েছে কূরবানী শব্দ। কুরবানী ঐ সমস্ত মাধ্যমকে বলা হয়,  যা দ্বারা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।   প্রিয় শ্রোতা !  এবার আসুন...

শিক্ষকদের প্রতি অনিহা কেন ?

Image
 মুসলমানদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী হলো শিক্ষক।  কিন্তু বর্তমান যুগে শিক্ষকদের যে দুর্দশা ও দুর্গতি,  তা দেখে হৃদয় কেঁপে ওঠে। আজকের এই অগ্রগতি ও উন্নতির যুগে শিক্ষক হচ্ছে সমাজের মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্বল, দরিদ্র এবং দুঃখী ব্যক্তি। বর্তমান মুসলিম সমাজে একজন শিক্ষকের পরিশ্রমিক ও বেতন হলো , একজন সাধার অজ্ঞ ও বিদ্যাহীন শ্রমিকের বেতনের চেয়ে কম ...! বিশেষ করে আমাদের ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকদের সাধারণত বেতন হয় 5 থেকে 7 অথবা 10 হাজার টাকা।  প্রিয় পাঠক! আপনি নিজেই বিবেচনা করুন : এই বেতনে কি তার পরিবার ও সংসারের খরচ মেনটেন হবে ?  একজন সাধারণ দিন মজদুর ব্যক্তি দিন প্রতি 400 থেকে 700 টাকা মজুরি পায়, আর একজন উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বেতন পায় দিন প্রতি ১৫০ টাকা  থেকে শুরু করে ৩০০ টাকা পর্যন্ত। শিক্ষকদের সাথে এই ধরনের অত্যাচার ও  নাইনসাফি কেন ?  শিক্ষক , যে আপনার ছেলের ভবিষ্যৎ নির্মাণকারী, তাঁদের হাতে রয়েছে দেশের উন্নতি, অগ্রগতি  ও অবনতি, তবুও কেন তাদের সাথে এই ধরনের অবহেলা ও খেলাধুলা ?  শিক্ষক যদি স্বচ্ছ মন ও ফ্রী ...

পর্দাহীন মহিলা ছালবিহীন কলার মত।

Image
 পর্দাহীন মহিলা ছালবিহীন কলার মত। উক্ত উক্তি উদাহরণের মাধ্যমে বুঝানো হলো। একজন কলা বিক্রেতা ৫ টাকা পিস দরে কলা বিক্রি করছিল। প্রচুর হারে কলা বিক্রি হয়। মানুষ বিক্রেতার নিকট থেকে কলা ক্রয় করে,  আর ছাল ছাড়িয়ে খায়।  বিক্রেতা ভাবল , আমি যদি কলা গুলো ছাল ছাড়িয়ে রাখি ,তাহলে ক্রেতাদের কষ্ট হবেনা এবং ছাল ছাড়িয়ে দেওয়ার কারনে দাম ও বেশি পাব। তখন সে কিছু কলার ছাল ছাড়িয়ে তার দাম ধার্য করল ৬ টাকা পিস। এখন ক্রেতারা এসে দাম জিজ্ঞাসা করলে, সে বলে:  ছালবিহীন কলা ৬টাকা পিস,  আর ছাল ওয়ালা কলা ৫ টাকা। ক্রেতারা শুধু ঝাল ওয়ালা কলা ৫টাকা দরে ক্রয় করে, আর কেউ ছালবিহীনকলা ক্রয় করে না। বিক্রেতা ভাবল :  যখন কম দামি কলা থাকবে না, তখন মানুষ দাম বেশি দিয়ে কলা নিয়ে যাবে। এক সময় ৫ টাকার কলা সব শেষ হয়ে যায় ৷ এখন আর কোন ক্রেতা তার কাছে আসে না। তবে প্রচুর মাছি এসে বিনামূল্যে কলা খায়,  আর ভৌঁ ভৌঁ করে উড়ে বেড়ায়। এখন সে ভাবল,  দাম কমালে মনে হয় কলা বিক্রি হবে। সে দাম কমাতে, কমাতে ০. টাকা কলার দাম নির্ধারিত করল। , অর্থাৎ বিনামূল্যে কলা বিক্রি করতে আগ্রহ দেখালে বা প্রস্তুতি ন...