পর্দাহীন মহিলা ছালবিহীন কলার মত।
পর্দাহীন মহিলা ছালবিহীন কলার মত।
উক্ত উক্তি উদাহরণের মাধ্যমে বুঝানো হলো।
একজন কলা বিক্রেতা ৫ টাকা পিস দরে কলা বিক্রি করছিল। প্রচুর হারে কলা বিক্রি হয়। মানুষ বিক্রেতার নিকট থেকে কলা ক্রয় করে, আর ছাল ছাড়িয়ে খায়। বিক্রেতা ভাবল , আমি যদি কলা গুলো ছাল ছাড়িয়ে রাখি ,তাহলে ক্রেতাদের কষ্ট হবেনা এবং ছাল ছাড়িয়ে দেওয়ার কারনে দাম ও বেশি পাব। তখন সে কিছু কলার ছাল ছাড়িয়ে তার দাম ধার্য করল ৬ টাকা পিস।
এখন ক্রেতারা এসে দাম জিজ্ঞাসা করলে, সে বলে: ছালবিহীন কলা ৬টাকা পিস, আর ছাল ওয়ালা কলা ৫ টাকা। ক্রেতারা শুধু ঝাল ওয়ালা কলা ৫টাকা দরে ক্রয় করে, আর কেউ ছালবিহীনকলা ক্রয় করে না। বিক্রেতা ভাবল : যখন কম দামি কলা থাকবে না, তখন মানুষ দাম বেশি দিয়ে কলা নিয়ে যাবে। এক সময় ৫ টাকার কলা সব শেষ হয়ে যায় ৷ এখন আর কোন ক্রেতা তার কাছে আসে না। তবে প্রচুর মাছি এসে বিনামূল্যে কলা খায়, আর ভৌঁ ভৌঁ করে উড়ে বেড়ায়।
এখন সে ভাবল, দাম কমালে মনে হয় কলা বিক্রি হবে। সে দাম কমাতে, কমাতে ০. টাকা কলার দাম নির্ধারিত করল। , অর্থাৎ বিনামূল্যে কলা বিক্রি করতে আগ্রহ দেখালে বা প্রস্তুতি নিলো। তবুও কেউ ছালবিহীন কলা ক্রয় করতে আগ্রহী লেখালো না, বা ক্রয় করল না।
অবশেষে এ বিক্রেতা সে কিছু টাকা দিয়ে এক জন ডোম জাতির লোক কে বলল: ভাই এই যে টাকা, হাতে নাও, আর এই ছালবিহীন কলা গুলো ডাসবীনে ফেলে এই জায়গায়টা পরিষ্কার করে দিও।
বর্তমান যুগের মেয়েদের অবস্থা ঠিক এই রকম। আগের মেয়েরা পর্দা করে চলত, তাই তাদেরকে টাকা দিয়ে সম্মানের সাথে শশুর বাড়ি নিয়ে যেত। এখন মেয়েরা ছাল ছাড়িয়ে ( পর্দাহীন হয়ে ) দাম বাড়ানোর প্রচেষ্টায় আছে। দামও বাড়ছে না, উপরন্তু কিছু মাছি জাতীয় জন্তু ছেলে, তাদের উপর বসে চুষে খেয়ে উড়ে পালাচ্ছে। আর মেয়েরা নিজেদের দাম বাড়াতে গিয়ে এত কমে যাচ্ছে যে, এদেরকে লক্ষাধিক টাকা দিয়ে পার করাতে হচ্ছে।
উক্ত উক্তি, উদাহরণ ও বিশ্লেষণ থেকে স্পষ্ট যে,পর্দা নারীর মর্যদাকে বৃদ্ধি করে। পর্দাহীনতা নারীর মর্যদাকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে, এবং ইজ্জত ও সম্মানে আঘাত নিয়ে আসে ।
Comments
Post a Comment