Posts

Showing posts from August, 2024

স্বামী স্ত্রীর মধ্যে উজাড় ভালোবাসার পদ্ধতি (প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইবহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নতের আলোকে)

  স্বামী স্ত্রীর মধ্যে উজাড় ভালোবাসার পদ্ধতি (প্রিয় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইবহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নতের আলোকে) স্ত্রী হচ্ছে ভালোবাসার প্রতীক। স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা ও মাহাত্মককে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন লেবাসের তাতে তুলনা করে করেছেন। এই মর্মে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন هُنَّ لِباسٌ لَكُم وَأَنتُم لِباسٌ لَهُنَّ অর্থাৎ তারা হচ্ছে তোমাদের পরিচ্ছদ এবং তোমরা তাদের পরিচ্ছদ।   ( সুরা আল বাকারাহ আয়াত নং ১৮৭) আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন وَمِن ءايٰتِهِ أَن خَلَقَ لَكُم مِن أَنفُسِكُم أَزوٰجًا لِتَسكُنوا إِلَيها وَجَعَلَ بَينَكُم مَوَدَّةً وَرَحمَةً ۚ إِنَّ فى ذٰلِكَ لَءايٰتٍ لِقَومٍ يَتَفَكَّرونَ আর এক নিদর্শন এই যে , তিনি তোমাদের জন্যে তোমাদের মধ্য থেকে তোমাদের সংগিনীদের সৃষ্টি করেছেন , যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তিতে থাক এবং তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে। (সুরা আল রূম আয়াত নং ২১) একজন পুরুষ আর একজন নারী যখন বিবাহিত জীবনে আবদ্ধ হয় , তখন তাদের মধ্যে যে ভা...

ফজরের দুই রাকাত সুন্নত।

  ফজরের দুই রাকাত সুন্নত। আমরা সকলেই অবগত যে , স্বলাত হচ্ছে একজন মুসলিমের জীবনে অবিচ্ছিন্ন আমল। ঈমানের পর প্রথম আমল হচ্ছে স্বলাত। স্বলাত ছাড়া কোনো ব্যক্তি প্রকৃত মুমিন থাকতে পারে না। স্বলাত হচ্ছে একজন মুমিনের পরিচয়। যার জীবনে স্বলাত নেই , সে প্রকৃত পক্ষে ঈমান হারা। স্বলাত ছাড়া জান্নাত লাভের আশা করাই ভূল। স্বলাত হচ্ছে জান্নাতের চাবি। যেমন চাবি ছাড়া তালা খুলা যায় না , সেই মতো স্বলাত ছাড়া জান্নাতে প্রবেশ করা অসম্ভব। ইসলাম ধর্মে স্বলাতের একাধিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। স্বলাত সাধারণত দুই প্রকার: ফরজ স্বলাত , নফল স্বলাত। নফল স্বলাতের মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করে। এই মর্মে বিশ্ব নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন عَنْ   أَبِي   هُرَيْرَةَ   قَالَ   قَالَ   رَسُولُ   اللهِ   صلى   الله   عليه   وسلم   إِنَّ   اللهَ   قَالَ   مَنْ   عَادَى   لِي   وَلِيًّا   فَقَدْ   آذَنْتُهُ   بِالْحَرْبِ   وَمَا   تَقَرَّبَ إِلَيَّ   عَبْدِي   بِش...

মক্কা শহরের জন্য ইব্রাহিম আলাই সালাম এর বিশেষ দোয়া।

  মক্কা শহরের জন্য ইব্রাহিম আলাই সালাম এর বিশেষ দোয়া। وَإِذ قالَ إِبرٰهۦمُ رَبِّ اجعَل هٰذا بَلَدًا ءامِنًا وَارزُق أَهلَهُ مِنَ الثَّمَرٰتِ مَن ءامَنَ مِنهُم بِاللَّهِ وَاليَومِ الءاخِرِ ۖ قالَ وَمَن كَفَرَ فَأُمَتِّعُهُ قَليلًا ثُمَّ أَضطَرُّهُ إِلىٰ عَذابِ النّارِ ۖ وَبِئسَ المَصيرُ   স্মরণ কর , যখন ইব্রাহীম বললেন , পরওয়ারদেগার! এ স্থানকে তুমি শান্তিধান কর এবং এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা অল্লাহ ও কিয়ামতে বিশ্বাস করে , তাদেরকে ফলের দ্বারা রিযিক দান কর। বললেনঃ যারা অবিশ্বাস করে , আমি তাদেরও কিছুদিন ফায়দা ভোগ করার সুযোগ দেব , অতঃপর তাদেরকে বলপ্রয়োগে দোযখের আযাবে ঠেলে দেবো ; সেটা নিকৃষ্ট বাসস্থান। (সুরা আল বাকারাহ আয়াত নং ১২৬)  

বিতর্ক সভার ভূমিকা (পবিত্র আল কুরআনের আলোকে)

  বিতর্ক সভার ভূমিকা (পবিত্র আল কুরআনের আলোকে) হক প্রতিষ্ঠায় ও বাতিলের উত্থানে বিতর্ক সভার একাধিক গুরুত্ব রয়েছে , তবে বিতর্ক সভা হতে হবে দলিল ও প্রমাণের ভিত্তিতে , প্রত্যেক নবী ও রাসুলের জীবনে বিতর্ক সভার উল্লেখ পাওয়া যায়।   যেমন হযরত মূসা আলাইহিস সালাম বিতর্ক সভা করেছিলেন ফেরাউন ও তার অনুসারীদের সাথে , অবশেষে দলিল ও প্রমাণের ভিত্তিতে হযরত মূসা আঃ সালাম ফেরাউনের উপর বিজয় লাভ করেন এবং উপস্থিত সকল জাদু শাস্ত্রের পান্ডিত্য ব্যক্তিবর্গ তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের একত্ববাদ এর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে বাধ্য হয়। হযরত মূসা আলাইহিস সালামের এই বিতর্ক সভার বর্ণনা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র আল কুরআনের কয়েক স্থানে দিয়েছেন। যেমন সূরা আল আরাফ আয়াত নং ১০৩ থেকে ১২৬ এর মধ্যে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন ثُمَّ بَعَثنا مِن بَعدِهِم موسىٰ بِـٔايٰتِنا إِلىٰ فِرعَونَ وَمَلَإِي۟هِ فَظَلَموا بِها ۖ فَانظُر كَيفَ كانَ عٰقِبَةُ المُفسِدينَ، وَقالَ موسىٰ يٰفِرعَونُ إِنّى رَسولٌ مِن رَبِّ العٰلَمينَ، حَقيقٌ عَلىٰ أَن لا أَقولَ عَلَى اللَّهِ إِلَّا الحَ...