ডিজিটাল ডিভাইস, অনলাইন অনলাইন শিক্ষা এবং নতুন প্রজন্ম ।
ডিজিটাল ডিভাইস, অনলাইন অনলাইন শিক্ষা এবং নতুন প্রজন্ম ।
বর্তমানে নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশ ডিজিটাল ডিভাইস ( Digital Device ), স্মার্ট ফোন ( Smartphone ) , ট্যাবলেট ( Tablet ) , টিভি ( T V ) ভিডিও কনসুল, ল্যাপ ট্যাপ ( Laptops ) , কম্পিউটারস ( Computers ) ইত্যাদির সাথে দেখা যায় آ
প্রযুক্তিগত সমস্ত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলির সঙ্গে সময় ব্যয় করাকে‘’ স্ক্রিন টাইম ‘‘ বলা হয়। ইলেক্ট্রনিক ডিভাইসগুলির স্ক্রিনে দৃষ্টিভঙ্গি জামায়ে রাখার কারণে প্রজন্মের বিভিন্ন ধরনের অসুখে সম্মুখীন হচ্ছে। যেমন : 'স্ক্রিন পর্যালোচনা সিন্ডারোম , চোখের বিভিন্ন অসুখ: চোখ জ্বলা , দৃষ্টি শক্তি দুর্বল হওয়া, মাথাব্যথা, শরীরের দুর্বলতা অনুভব করা, ক্লান্ত অনুভব করা, ঘাড়ে ব্যথা, হাড়ে ব্যথা, জীবনে এক ধরনের হতাশতা অনুভব করা, মোটা হওয়া । লিড ব্যবহারের কারণে কানে বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হওয়া ইত্যাদি।
দীর্ঘ সময় ধরে স্ক্রিনে দৃষ্টি জমিয়ে রাখার কারণে রক্তচাপ বেড়ে যায়, ফলে হাই ব্লাড প্রেসার ও হার্ট অ্যাটাক আক্রমণ করে।
স্ক্রিনের সামনে দীর্ঘ সময় থাকা আর জাঙ্ক ফুড খাদ্য ( Junk food ) ব্যবহার করা সমতুল্য । এর ফলে শিশুর মধ্যে বিভিন্ন ধরনের মারাত্মক অসুখ দেখা যায়।
বিশ্ব কোভিড মহামারী - ১৯ ( Covid Pendamic - 19 ) এর কারণে বিশ্ব শিক্ষাব্যবস্থা ইন্টারনেটের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি গুলো অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে উৎসা ও আগ্রহ দেখা দিয়েছে। অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা অভিবাবকদের কাছ থেকে অর্থ সরবরাহ করার একটি সু কৌশল মাএ , আর কিছু না। যতক্ষণ পর্যন্ত এই বিষয়ে মজবুত ও শক্তিশালী পদক্ষেপ গ্রহণ করা না যাবে , ততক্ষণ পর্যন্ত অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা জাঙ্ক ফুডের মত।
কোভিদ প্যানডেমিক আমাদের ভারতবর্ষে অর্থনীতির সাথে সাথে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় আকারে প্রভাব ফেলেছে।
যে ইলেকট্রনিক ডিভাইস মোবাইল ল্যাপটপ , ট্যাবলেট ইত্যাদি থেকে আমরা নিজের ছেলেদেরকে দূরে রাখতাম । আজকে দাজ্জালি এডুকেশন সিস্টেমের কারণে ছেলেদের হাতে তা তুলে দিতে আমরা বাধ্য হলাম।
অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থা আজকে একটি শিল্প এবং ইন্ডাস্ট্রি রুপে পরিণত হয়েছে। যেখানে শিক্ষা থেকে বেশি অর্থের দিকে দৃষ্টি সরবরাহ করা হচ্ছে। এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করা এবং এর হানীকারক দিকগুলো চিহ্নিত করে, যদি তা দূর না করা হয়, তবে আমাদের প্রজন্মের ভবিষ্যত নষ্ট হবে।
শিক্ষাকে ডিজিটাইজ করার ফলে দরিদ্র পরিবার ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস মোবাইল ল্যাপটপ ট্যাবলেট ইত্যাদি ক্রয় করা, এবং একটি বড় আকারের অর্থ বরাদ্দ করে নেট রিচার্জ করা এক ধরনের চ্যালেঞ্জ । বিশেষ করে যে পরিবারে একাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে যদি ঐ সকল শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসের সময় এক হয়, তবে আপনি একটু চিন্তা করুন, যে ঐ সমস্ত শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিশুর জন্য আলাদা আলাদা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ক্রয় করা, কত বড় চ্যালেঞ্জ ?
এই তালাবন্ধি বা লকডাউন এর আড়ালে না কনো ষড়যন্ত্র কাজ করছে শিক্ষা ব্যবস্থাকে শ্রেণিবদ্ধে পরিণত করার জন্য ? না এর পিছনে রয়েছে লূপ্ত রহস্য ও উদ্দেশ্য শিক্ষাকে ধনী-দরিদ্রের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য ?

Comments
Post a Comment