বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতের পদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্য।

বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দাওয়াতের পদ্ধতি ও বৈশিষ্ট্য।
 আব্দুল রাকিব নদভী, নায়েবে আমির জেলা জমিয়ত আহলে হাদীস উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ, সম্পাদক দ্বিমাসিক পত্রিকা" তারজুমান আহলে হাদীস (বাংলা), কলকাতা।
 পৃথিবীতে জীবন যাপন করতে গেলে মানুষকে মূলত দুটি জিনিসের প্রয়োজন। যা থেকে তাকে এক মুহুর্তের জন্যও আলাদা করা যায় না, (1) বস্তুগত প্রয়োজন: যা মানুষের গঠন এবং শরীরের সাথে সম্পর্কিত। যার আলোকে মানুষ তার নৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন গঠন করে এবং তার প্রকৃত ও মূল লক্ষ্যে পৌঁছাতে সফলতা অর্জন করে থাকে।
 আল্লাহ তায়ালা সমস্ত জগতের পালনকর্তা, সারা বিশ্বের রব, তাঁর প্রভুত্বের জন্য তিনি মানুষের বস্তুগত ও আধ্যাত্মিক উভয় চাহিদাই পূরণ করেন। জমিনের বুকে আল্লাহ্ রাব্বুল আলামীন এমন খনিজ-ভান্ডার জমা রেখেছেন যার শেষ নেই, যাতে মানুষ তার বস্তুগত চাহিদা নিখুঁত উপায়ে পূরণ করতে পারে।
 মানুষের দ্বিতীয় মৌলিক চাহিদা, যা আত্মা ও বিবেকের সাথে সম্পৃক্ত, তা পূরণ করার জন্য, আল্লাহতায়ালা পৃথিবীতে অসংখ্য নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন, তাদের কাছে আসমানী কিতাব ও গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন যাতে মানুষের আধ্যাত্মিক চাহিদা পূরণ হয় এবং সব মানুষ তার প্রকৃত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।
 নবীদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে তাদের প্রকৃত স্রষ্টার দিকে আহ্বান করা, তাদের আধ্যাত্মিক ও স্বজ্ঞাতভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া, তাদেরকে 
কিতাব ও প্রজ্ঞা শেখানো।  এ সম্পর্কে বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহ বলেন:

هُوَ الَّذى بَعَثَ فِى الأُمِّيّۦنَ رَسولًا مِنهُم يَتلوا عَلَيهِم ءايٰتِهِ وَيُزَكّيهِم وَيُعَلِّمُهُمُ الكِتٰبَ وَالحِكمَةَ وَإِن كانوا مِن قَبلُ لَفى ضَلٰلٍ مُبينٍ

অর্থ: তিনিই নিরক্ষরদের মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন তার আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপূর্বে তারা ছিল ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।(সুরা জুময়া আয়াত নং ২)
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আরো বলেন:
لَقَد أَرسَلنا رُسُلَنا بِالبَيِّنٰتِ وَأَنزَلنا مَعَهُمُ الكِتٰبَ وَالميزانَ لِيَقومَ النّاسُ بِالقِسطِ ۖ 

অর্থ : আমি আমার রসূলগণকে সুস্পষ্ট নিদর্শনসহ প্রেরণ করেছি এবং তাঁদের সাথে অবতীর্ণ করেছি কিতাব ও ন্যায়নীতি, যাতে মানুষ ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে। (সুরা হাদীদ আয়াত নং ২৫)


 উল্লিখিত আয়াত ও বিবরণ থেকে স্পষ্ট যে, নবী ও রাসূল আলাইহিমুস্ সালামদের প্রেরণের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করা, তাদের আধ্যাত্মিক এবং স্বজ্ঞাতভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাওয়াতের বৈশিষ্ট্য:
 ১) নিজের দাওয়াতের ওপর প্রথমে নিজে আমল করাঃ
 রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দাওয়াতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল, তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের দাওয়াতের ওপর প্রথমে নিজে আমল করতেন ।
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন: 

ءامَنَ الرَّسولُ بِما أُنزِلَ إِلَيهِ مِن رَبِّهِ 

অর্থ :রসূল বিশ্বাস রাখেন ঐ সমস্ত বিষয় সম্পর্কে যা তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে তাঁর কাছে অবতীর্ণ হয়েছে (সুরা বাকারা আয়াত নং ২৮৫)

2) আংশিক সংস্কারের বিপরীত, বিশ্ব নবী (সা.) সার্বিক বিপ্লবের দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন: 
রাসূল (সা.)-এর দাওয়াতের লক্ষ্য কখনো আংশিক সংস্কার ছিল না। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাওয়াতের মাধ্যমে পৃথিবীর সার্বিক সংস্কার ও বিপ্লব চেয়েছিলেন।
 তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আকীদা ও আদর্শের সংস্কার ঘটাননি। দাওয়াহ ও তাবলিগের মাধ্যমে জনগণের নৈতিকতা ও চরিত্রের উন্নতি ঘটিয়ে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে এমন এক বিপ্লবের উদাহরণ।

 ৩) রাসুল (সাঃ) তাঁর দাওয়াতে সফলতার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রাখতেনঃ 
যে কোন দাঈর সফলতার জন্য তার দা’ওয়ার সাফল্যের উপর পূর্ণ আস্থা থাকা অপরিহার্য, এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম এর জীবনে সম্পূর্ণরূপে উপস্থিত ছিল। উদাহরণস্বরূপ বলি, 
عَنْ خَبَّابِ بْنِ الأَرَتِّ قَالَ شَكَوْنَا إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ مُتَوَسِّدٌ بُرْدَةً لَهُ فِي ظِلِّ الْكَعْبَةِ فَقُلْنَا أَلاَ تَسْتَنْصِرُ لَنَا أَلاَ تَدْعُو لَنَا فَقَالَ قَدْ كَانَ مَنْ قَبْلَكُمْ يُؤْخَذُ الرَّجُلُ فَيُحْفَرُ لَهُ فِي الأَرْضِ فَيُجْعَلُ فِيهَا فَيُجَاءُ بِالْمِنْشَارِ فَيُوضَعُ عَلَى رَأْسِهِ فَيُجْعَلُ نِصْفَيْنِ وَيُمْشَطُ بِأَمْشَاطِ الْحَدِيدِ مَا دُونَ لَحْمِهِ وَعَظْمِهِ فَمَا يَصُدُّهُ ذَلِكَ عَنْ دِينِهِ وَاللهِ لَيَتِمَّنَّ هَذَا الأَمْرُ حَتَّى يَسِيرَ الرَّاكِبُ مِنْ صَنْعَاءَ إِلَى حَضْرَمَوْتَ لاَ يَخَافُ إِلاَّ اللهَ وَالذِّئْبَ عَلَى غَنَمِهِ وَلَكِنَّكُمْ تَسْتَعْجِلُونَ
খাব্বাব ইব্‌নু আরাত্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে কোন বিষয়ে অভিযোগ পেশ করলাম। তখন তিনি কা‘বা ঘরের ছায়ায় তাঁর চাদরকে বালিশ বানিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমরা বললাম, (আমাদের জন্য কি) সাহায্য চাইবেন না? আমাদের জন্য কি দু‘আ করবেন না? তিনি বললেনঃ তোমাদের আগের লোকদের মাঝে এমন ব্যক্তিও ছিল, যাকে ধরে নিয়ে তার জন্য যমীনে গর্ত করা হত। তারপর করাত এনে মাথায় আঘাত হেনে দু’টুক্‌রা করে ফেলা হত। লোহার শলাকা দিয়ে তার গোশত ও হাড্ডি খসানো হত। তা সত্বেও তাকে তার দ্বীন থেকে ফিরিয়ে রাখতে পারত না। আল্লাহ্‌র কসম! এ দ্বীন অবশ্যই পূর্ণতা লাভ করবে। এমন হবে যে সান‘আ থেকে হায্‌রামাওত পর্যন্ত ভ্রমণকারী ভ্রমণ করবে। অথচ সে আল্লাহ্ ছাড়া কাউকে ভয় করবে না এবং নিজের মেষ পালের জন্য বাঘের ভয় থাকবে, কিন্তু তোমরা তাড়াহুড়ো করছ। (সহীহ আল বুখারী, হাদিস নং ৬৯৪৩)
উক্ত হাদিসের মধ্যে একজন দাঈর জন্য একাধিক উপদেশ রয়েছে। এবং এই হাদিস থেকে স্পষ্ট যে, একজন দাঈকে তার দাওয়াতের  সাফল্যের উপর কতটা বিশ্বাস থাকা উচিত।  



৪) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন ও চিন্তিত ছিলেন:
তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা চিন্তিত থাকতেন কিভাবে একেশ্বরবাদের দাওয়াত পৃথিবীর প্রতিটি ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। মানবজাতিকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাওয়াহ ও তাবলীগের প্রচারে এমন উদ্যম, নম্রতার পরিচয় দিয়েছিলেন, যা বিশ্ববাসীর পক্ষে সম্ভব নয়। বিশ্বজগতের পালনকর্তা আল্লাহ রাব্বুল আলামীন এই মর্মে স্বয়ং সাক্ষ্য প্রদান করেন: 
فَلَعَلَّكَ بٰخِعٌ نَفسَكَ عَلىٰ ءاثٰرِهِم إِن لَم يُؤمِنوا بِهٰذَا الحَديثِ أَسَفًا

অর্থ :যদি তারা এই বিষয়বস্তুর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না করে, তবে তাদের পশ্চাতে সম্ভবতঃ আপনি পরিতাপ করতে করতে নিজের প্রাণ নিপাত করবেন। (সুরা কা'হফ আয়াত নং ৬)

 5) নবী করীম (সাঃ) এর দাওয়াত ছিল হিকমত ও প্রজ্ঞায় পরিপূর্ণ। একজন সফল দাঈর পরিচয় হচ্ছে, হিকমতের সহিত মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করা। এটাই ছিল রাসুলুল্লাহ (সা.) এর দাওয়াতের সাফল্যের বড় রহস্য। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:
ادعُ إِلىٰ سَبيلِ رَبِّكَ بِالحِكمَةِ وَالمَوعِظَةِ الحَسَنَةِ ۖ وَجٰدِلهُم بِالَّتى هِىَ أَحسَنُ ۚ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبيلِهِ ۖ وَهُوَ أَعلَمُ بِالمُهتَدينَ
অর্থ : আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। (সুরা নাহল আয়াত নং ১২৫)

৬)দাওয়াতের কাজে অটল ও অবিচল থাকা:
রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর দাওয়াতি কাজে অটল ও অবিচল ছিলেন। কোন ব্যক্তি যদি তার মিশনে অটল ও অবিচল থাকে, তবে তার জন্য বিজয় ও সাফল্য অনিবার্য।

মানুষ কে আল্লাহর দিকে আহবান করার সময় 
 তাদের মন ও মানসিকতা খেয়াল করা, এবং কথোপকথনের সময় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের পুনরাবৃত্তি, ধারাবাহিক ও ধাপে ধাপে মানুষ কে আল্লাহর দিকে আহবান করা।

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِمُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ حِينَ بَعَثَهُ إِلَى الْيَمَنِ ‏ "‏ إِنَّكَ سَتَأْتِي قَوْمًا أَهْلَ كِتَابٍ، فَإِذَا جِئْتَهُمْ فَادْعُهُمْ إِلَى أَنْ يَشْهَدُوا أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لَكَ بِذَلِكَ، فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّ اللَّهَ قَدْ فَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي كُلِّ يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لَكَ بِذَلِكَ فَأَخْبِرْهُمْ أَنَّ اللَّهَ قَدْ فَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةً تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ فَتُرَدُّ عَلَى فُقَرَائِهِمْ، فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لَكَ بِذَلِكَ فَإِيَّاكَ وَكَرَائِمَ أَمْوَالِهِمْ، وَاتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ، فَإِنَّهُ لَيْسَ بَيْنَهُ وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ ‏"‏‏.
ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মু’আয ইব্‌নু জাবাল (রাঃ)-কে ইয়ামানের (শাসক নিয়োগ করে) পাঠানোর সময় আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলছিলেনঃ তুমি আহলে কিতাবের কাছে যাচ্ছ। কাজেই তাদের কাছে যখন পৌঁছবে তখন তাদেরকে এ কথার দিকে দাওয়াত দিবে তারা যেন সাক্ষ্য দিয়ে বলে যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র রাসূল। যদি তারা তোমার এ কথা মেনে নেয় তবে তাদের বলবে যে, আল্লাহ্‌ তাদের উপর দিনে রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন। যদি তারা এ কথাও মেনে নেয় তবে তাদের বলবে যে, আল্লাহ্‌ তাদের উপর সদকা (যাকাত) ফরয করেছেন- যা তাদের ধনীদের নিকট হতে গ্রহণ করা হবে এবং অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করে দেয়া হবে। তোমার এ কথা যদি তারা মেনে নেয়, তবে (কেবল) তাদের উত্তম মাল গ্রহণ হতে বিরত থাকবে এবং মযলুমের বদদু’আকে ভয় করবে। কেননা, তার (বদদু’আ) এবং আল্লাহ্‌র মাঝে কোন পর্দা থাকে না। (সহীহ আল বুখারী, হাদিস নং ১৪৯৬)
সারমর্ম: দাওয়াত একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, একজন দাঈর কর্তব্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দাওয়াতি গুনাবলী জীবনে বাস্তবায়ন করে পৃথিবীবাসীকে আল্লাহর দিকে আহবান করা।

Comments

Popular posts from this blog

ভারত বর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেরশাহবাদি সম্প্রদায়ের অবদান। আব্দুর রাকিব নাদভী

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভূমিকা।

বাংলা ভাষায় ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাব।