মুহররম মাস ও আশুরার ফজিলত?

মুহররমমাস ও আশুরার ফজিলত?
হিজরি সনের প্রথম মাস মুহররম, এটি একটি বরকতময় মাস। "আশহুরুল হুরুম" তথা হারামকৃত মাস চতুষ্টয়ের অন্যতম। আশহুরুল হুরুম তথা হারামকৃত মাস সম্পর্কে বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ রব্বুল আলামীন বলেন:
 إِنَّ عِدَّةَ الشُّهورِ عِندَ اللَّهِ اثنا عَشَرَ شَهرًا فى كِتٰبِ اللَّهِ يَومَ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالأَرضَ مِنها أَربَعَةٌ حُرُمٌ ۚ ذٰلِكَ الدّينُ القَيِّمُ ۚ فَلا تَظلِموا فيهِنَّ أَنفُسَكُم ۚ وَقٰتِلُوا المُشرِكينَ كافَّةً كَما يُقٰتِلونَكُم كافَّةً ۚ وَاعلَموا أَنَّ اللَّهَ مَعَ المُتَّقينَ
 নিশ্চয় আল্লাহর কিতাবে মাস সমূহের গননা বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন। [সূরা তাওবা:৩৬]
عَنْ  أَبِي  بَكْرَةَ  ـ  رضى  الله  عنه  ـ  عَنِ  النَّبِيِّ  صلى  الله  عليه  وسلم  قَالَ  ‏  "‏  الزَّمَانُ  قَدِ  اسْتَدَارَ  كَهَيْئَتِهِ  يَوْمَ  خَلَقَ  السَّمَوَاتِ  وَالأَرْضَ،  السَّنَةُ  اثْنَا  عَشَرَ  شَهْرًا،  مِنْهَا أَرْبَعَةٌ  حُرُمٌ،  ثَلاَثَةٌ  مُتَوَالِيَاتٌ  ذُو  الْقَعْدَةِ  وَذُو  الْحِجَّةِ  وَالْمُحَرَّمُ،  وَرَجَبُ  مُضَرَ  الَّذِي  بَيْنَ  جُمَادَى  وَشَعْبَانَ  ‏
আবূ বাকরাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহ যে দিন আসমান ও যমীন সৃষ্টি করেছেন, সে দিন হতে সময় যেভাবে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেভাবে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। যুল-কা’দাহ, যূল-হিজ্জাহ ও মুহাররাম। তিনটি মাস পরস্পর রয়েছে। আর একটি মাস হলো রজব-ই-মুযার যা জুমাদা ও শা’বান মাসের মাঝে অবস্থিত। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩১৯৭)।

মুহররম মাসের করণীয়: 
জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার কোনোই মূহুর্তে ও মাসে বৈধ নয়, মহররম মাস যেহেতু সম্মানীয় মাস তাই এই মাসে জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার থেকে কঠোর ভাবে নিষেধ করা হয়েছে, আল্লাহ বলেন: 
مِنها أَربَعَةٌ حُرُمٌ ۚ ذٰلِكَ الدّينُ القَيِّمُ ۚ فَلا تَظلِموا فيهِنَّ أَنفُسَكُم
তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। (সূরা তাওবা আয়াত নং ৩৬)।
তাই আমাদের করণীয় নিজেকে জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার থেকে দূরে রেখে পরস্পর ভ্রাতৃত্ববোধ, সহানুভূতি, সহযোগিতা কে শক্তিশালী করে গড়ে তোলা, যাতে করে শান্তিময় সমাজ ও পরিবেশ গড়ে উঠে এবং বেশি বেশি সৎ আমল করা, বিশেষ করে বেশি বেশি নফল সিয়াম পালন করা। 
عَنْ  أَبِي  هُرَيْرَةَ،  -  رضى الله  عنه  -  قَالَ  قَالَ  رَسُولُ اللَّهِ  صلى الله  عليه  وسلم  ‏  "‏  أَفْضَلُ  الصِّيَامِ  بَعْدَ  رَمَضَانَ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ  وَأَفْضَلُ  الصَّلاَةِ  بَعْدَ  الْفَرِيضَةِ  صَلاَةُ  اللَّيْلِ  ‏
আবূ হুরায়রাহ রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: রমাযানের সিয়ামের পর সর্বোত্তম সওম হচ্ছে আল্লাহ্‌র মাস মুহাররমের সওম এবং ফরয সলাতের পর সর্বোত্তম সলাত হচ্ছে রাতের সলাত। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৬৪৫)।

আশুরার দিনের ইতিহাস: 
আশুরার সিয়াম পূর্ব হতেই প্রসিদ্ধ ছিল, জাহেলি যুগের আরব সমাজ তা পালন করত। আম্মা আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন:

أَنَّ  عَائِشَةَ  قَالَتْ  كَانَ  يَوْمُ  عَاشُورَاءَ  تَصُومُهُ  قُرَيْشٌ  فِي  الْجَاهِلِيَّةِ  وَكَانَ  رَسُولُ  اللهِ  صلى  الله  عليه  وسلم  يَصُومُهُ  فَلَمَّا  قَدِمَ  الْمَدِينَةَ  صَامَهُ  وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ  فَلَمَّا  فُرِضَ  رَمَضَانُ  تَرَكَ  يَوْمَ  عَاشُورَاءَ  فَمَنْ  شَاءَ  صَامَهُ  وَمَنْ  شَاءَ  تَرَكَهُ
‎ জাহিলিয়্যাতের যুগে কুরাইশগণ ‘আশূরার সিয়াম পালন করত এবং আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ও এ সিয়াম পালন করতেন। যখন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় আগমন করেন তখনও এ সিয়াম পালন করেন এবং তা পালনের নির্দেশ দেন। যখন রমযানের সিয়াম ফরয করা হল তখন ‘আশূরার সিয়াম ছেড়ে দেয়া হলো, যার ইচ্ছা সে পালন করবে আর যার ইচ্ছা পালন করবে না। ( সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২০০২)

আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন: 
عَنْ  ابْنِ  عَبَّاسٍ  قَالَ  قَدِمَ  النَّبِيُّ  صلى  الله  عليه  وسلم  الْمَدِينَةَ  فَرَأَى  الْيَهُودَ  تَصُومُ  يَوْمَ  عَاشُورَاءَ  فَقَالَ  مَا  هَذَا  قَالُوا  هَذَا  يَوْمٌ  صَالِحٌ  هَذَا  يَوْمٌ  نَجَّى  اللهُ  بَنِي  إِسْرَائِيلَ  مِنْ  عَدُوِّهِمْ  فَصَامَهُ  مُوسَى  قَالَ  فَأَنَا  أَحَقُّ  بِمُوسَى  مِنْكُمْ  فَصَامَهُ  وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ
 আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাদীনায় আগমন করে দেখতে পেলেন যে, ইয়াহুদীরা আশুরার দিনে সিয়াম পালন করছে ।তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ কি ব্যাপার? (তোমরা এ দিনে সওম পালন কর কেন?) তারা বলল, এ অতি উত্তম দিন, এ দিনে আল্লাহ তা’আলা বনী ইসরাঈলকে তাদের শত্রুর কবল হতে নাজাত দান করেন, ফলে এ দিনে মূসা আলাইহিস সালাম সওম পালন করেনন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ আমি তোমাদের অপেক্ষা মূসা আলাইহিস সালাম এর অধিক নিকটবর্তী, এরপর তিনি এ দিনে সওম পালন করেন এবং সওম পালনের নির্দেশ দেন। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ২০০৪)
সহিহ আল বুখারীর অন্য বর্ণনায় এসেছে, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন:
عَنِ  ابْنِ  عَبَّاسٍ  ـ  رضى  الله  عنهما  أَنَّ  النَّبِيَّ  صلى  الله  عليه  وسلم  لَمَّا  قَدِمَ  الْمَدِينَةَ  وَجَدَهُمْ  يَصُومُونَ  يَوْمًا،  يَعْنِي  عَاشُورَاءَ،  فَقَالُوا  هَذَا  يَوْمٌ  عَظِيمٌ،  وَهْوَ  يَوْمٌ  نَجَّى  اللَّهُ  فِيهِ  مُوسَى،  وَأَغْرَقَ  آلَ  فِرْعَوْنَ،  فَصَامَ  مُوسَى  شُكْرًا  لِلَّهِ‏.‏  فَقَالَ  ‏  "‏  أَنَا  أَوْلَى  بِمُوسَى  مِنْهُمْ  ‏"‏‏.‏  فَصَامَهُ  وَأَمَرَ  بِصِيَامِهِ‏.‏
‎নবী‎ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদীনায় আগমন করেন, তখন তিনি মদীনাবাসীকে এমনভাবে পেলেন যে, তারা একদিন সাওম পালন করে অর্থাৎ সে দিনটি হল ‘আশুরার দিন। তারা বলল, এটি একটি মহান দিবস। এ এমন দিন যে দিনে আল্লাহ্‌ মূসা আলাইহিস সালাম–কে নাজাত দিয়েছিলেন এবং ফির‘আউনের সম্প্রদায়কে ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। অতঃপর মূসা আলাইহিস সালাম শুকরিয়া হিসেবে এদিন সাওম পালন করেছেন। তখন নবী‎ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন: তাদের তুলনায় আমি হলাম মূসা আলাইহিস সালাম–এর অধিক নিকটবর্তী। কাজেই তিনি নিজেও এদিন সাওম পালন করেছেন এবং এদিন সাওম পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৩৩৯৭)।





আশুরার সিয়াম এর ফজিলত 
আশুরার সিয়াম এর ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: 
وَصِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ  أَحْتَسِبُ  عَلَى  اللَّهِ  أَنْ  يُكَفِّرَ  السَّنَةَ  الَّتِي  قَبْلَهُ 
“আশুরার দিনের সিয়াম ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, তিনি পূর্ববর্তী এক বছরের পাপ ক্ষমা করে দেবেন।[সহিহ মুসলিম:১৯৭৬]
আশুরার দিন বলতে মুহররম মাসের দশম তারিখ কে বুঝানো হয়, এখন প্রশ্ন হলো আশুরার সিয়াম কয়টি? দুইটি। এই মর্মে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত:
عن عَبْدَ  اللَّهِ،  بْنَ  عَبَّاسٍ  -  رضى  الله  عنهما  -  يَقُولُ  حِينَ  صَامَ  رَسُولُ  اللَّهِ  صلى  الله  عليه  وسلم  يَوْمَ  عَاشُورَاءَ  وَأَمَرَ  بِصِيَامِهِ  قَالُوا  يَا  رَسُولَ  اللَّهِ  إِنَّهُ  يَوْمٌ  تُعَظِّمُهُ  الْيَهُودُ  وَالنَّصَارَى  ‏.‏  فَقَالَ  رَسُولُ  اللَّهِ  صلى  الله  عليه  وسلم  ‏  "‏  فَإِذَا  كَانَ  الْعَامُ  الْمُقْبِلُ  -  إِنْ  شَاءَ  اللَّهُ  -  صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ  ‏"‏  ‏.‏  قَالَ  فَلَمْ  يَأْتِ  الْعَامُ  الْمُقْبِلُ  حَتَّى  تُوُفِّيَ  رَسُولُ  اللَّهِ  صلى  الله  عليه  وسلم
আবদুল্লাহ ইবনে  আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ‘আশূরার দিন সিয়াম পালন করেন এবং লোকদের সিয়াম পালনের নির্দেশ দেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়াহুদ এবং নাসারা এই দিনের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম পালন করব। বর্ণনাকারী বললেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্হায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ইন্তেকাল হয়ে যায়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৫৫৬)।
উক্ত হাদিস থেকে স্পষ্ট যে, আশুরার সিয়াম দুটি: মুহররম মাসের নবম ও দশম তারিখ।

আশুরার দিন কে কান্নাকাটি ও শোক দিবস হিসাবে পালন করা বিদআত:  হযরত হুসাইন রাযিয়াল্লাহু আনহুর শাহাদাতের সাথে আশুরার দিনের ফজিলতের কোনো সম্পর্ক নেই। দুঃখের বিষয় ইসলামী শরীয়ত থেকে অজ্ঞতার কারণে কিছু সংখ্যক মানুষ আশুরার দিন উপস্থিত হলে বিভিন্ন ধরনের বিদআত ও ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে যায়, তার মধ্যে একটি হচ্ছে আশুরার দিন কে শোক দিবস হিসেবে পালন করা,      হযরত হাসান এবং হুসেইন রাযিয়াল্লাহু আনহুমার নামে মাতম ও বিলপ করা, এসব কর্মকাণ্ড শরীয়ত সম্মত নয় বরং এগুলো শরীয়ত বিরোধী কর্মকান্ড। 
عَنْ  عَبْدِ  اللَّهِ  ـ  رضى  الله  عنه  ـ  قَالَ  قَالَ  النَّبِيُّ  صلى  الله  عليه  وسلم  ‏  "‏  لَيْسَ  مِنَّا  مَنْ  لَطَمَ  الْخُدُودَ،  وَشَقَّ  الْجُيُوبَ،  وَدَعَا  بِدَعْوَى  الْجَاهِلِيَّةِ 
‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নে মাস‘ঊদ রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী  ( সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যারা (মৃত ব্যক্তির জন্য শোক প্রকাশে) গন্ডে চপেটাঘাত করে, জামার বক্ষ ছিন্ন করে বং জাহিলী যুগের মত চিৎকার দেয়, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়। (সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১২৯৪)।

এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার: মৃত্যু ব্যক্তির জন্য তিন দিনের অধিক শোক পালন করা নিষেধ, হযরত হুসাইন রাযিয়াল্লাহু আনহু আজ থেকে প্রায় এক হাজার বছর পূর্বে শহীদ হয়েছেন, তাহলে কেমনে তাঁর ভালোবাসার নামে আজকে শোক পালন করা বৈধ হবে? 
عَنْ  أُمِّ  عَطِيَّةَ  ـ  قَالَتْ  كُنَّا  نُنْهَى  أَنْ  نُحِدَّ  عَلَى  مَيِّتٍ فَوْقَ  ثَلاَثٍ،  إِلاَّ  عَلَى  زَوْجٍ  أَرْبَعَةَ  أَشْهُرٍ  وَعَشْرًا
উম্মে আতিয়া রাযিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত তিনি বলেনঃ কোন মৃত ব্যক্তির জন্যে আমাদের তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হতে নিষেধ করা হতো। কিন্তু স্বামীর ক্ষেত্রে চার মাস দশদিন। (সহিহ আল বুখারী হাদীস নং ৩১৩)।

Comments

Popular posts from this blog

ভারত বর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেরশাহবাদি সম্প্রদায়ের অবদান। আব্দুর রাকিব নাদভী

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভূমিকা।

বাংলা ভাষায় ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাব।