ধন সম্পদ হলো এক ধরনের ফেতনা ।

 


ঐ সব জমি জায়গা,ধন সম্পদ এবং ব্যবসা ও বাণিজ্য থেকে কি লাভ ?  যা অন্তরকে বিভক্ত করে, পরস্পর সম্পর্ক ছিন্ন ও বিচ্ছিন্ন করে, চোখ ছিঁড়ে, এক অপরের মুখ ফিরিয়ে দেয়,  হৃদয়কে কঠোরতা করে তুলে ,রক্তপিপাসু হয়ে মানুষের জীবনের একটি অংশ শেষ হয় এবং পৃথিবী এমন অবস্থায় ছেড়ে যায়,যে পৃথিবীর মাঝে প্রজন্মের পর প্রজন্ম শত্রুতা থেকে যায়। এই ধরনের ধন সম্পদ ব্যক্তির জন্য শাস্তি স্বরূপ।
এই মর্মে বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম আমাদেরকে দূয়া শিখিয়েছেন।

اللهم إني أعوذ بك من فتنة النار وعذاب النار، وفتنة القبر وعذاب القبر، وشر فتنة الغنى، وشر فتنة الفقر
হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে নরকের ফেতনা,  জাহান্নামের শাস্তি (আযাব) , কবরের সংকট, কবরের আযাব, ধন- সম্পদের ফেতনা , অভাব ও দারিদ্র্যতার ফিতনাহ থেকে আশ্রয় চায়।
( সহি আল বুখারী , দূয়া অধ্যায়, দারিদ্র্যের ফেতনা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা, হাদিস নং ৬৩৭৭)
স্বয়ং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন:
كَلَّا إِنَّ الْأِنْسَانَ لَيَطْغَى ، أَنْ رَآهُ اسْتَغْى 
সত্যি সত্যি মানুষ সীমালংঘন করে,যখনসে নিজেকে অভাবমুক্ত মনে করে।
( সূরা আল আলাক আয়াত নং ৬-৭ )
আল্লাহ মুসলিম জাতিকে ধন সম্পদের সকল প্রকার ফেতনা থেকে রক্ষা কর।

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

ভারত বর্ষের স্বাধীনতা সংগ্রামে শেরশাহবাদি সম্প্রদায়ের অবদান। আব্দুর রাকিব নাদভী

শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভূমিকা।

বাংলা ভাষায় ইসলামী সংস্কৃতির প্রভাব।